আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ব্যাপক অভিযান চালিয়ে শতাধিক ফিলিস্তিনিকে আটক করেছে। নাবলুসের কাছে এক গোলাগুলিতে চার ফিলিস্তিনি ও দুই ইসরায়েলি সেনা নিহত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নির্দেশে এই অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযানের পাশাপাশি ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের হামলাও বেড়েছে। নাবলুস ও তুলকারেম এলাকার দুটি মসজিদে অগ্নিসংযোগের চেষ্টা, ভবনে উসকানিমূলক লেখা এবং বিভিন্ন গ্রামে হামলার অভিযোগ উঠেছে। ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, তাদের একজন প্যারামেডিকসহ কয়েকজন সাধারণ মানুষও হামলার শিকার হয়েছেন।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, জেনিন, রামাল্লাহ, হেবরন, বেথলেহেম ও তুলকারেমসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে বহু মানুষকে আটক করা হয়েছে। ইসরায়েল জানিয়েছে, সন্দেহভাজনদের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ভবিষ্যতে সেগুলো ভেঙে ফেলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই নীতিকে আন্তর্জাতিক আইনবিরোধী ‘সমষ্টিগত শাস্তি’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বাহিনী ও বসতি স্থাপনকারীদের অভিযানে অন্তত ১ হাজার ১৮৫ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ২৪ হাজারের বেশি মানুষ আটক হয়েছেন। জাতিসংঘ ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর অভিযোগ, বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতার ঘটনায় কার্যকর জবাবদিহির অভাব পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলছে।















