যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে চলমান আলোচনায় “উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি” হয়েছে। এর কয়েক ঘণ্টা আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, যুদ্ধ অবসানের জন্য একটি সমঝোতা স্মারক “প্রায় চূড়ান্ত” পর্যায়ে পৌঁছেছে।
ভারত সফরে থাকা রুবিও রোববার নয়াদিল্লিতে সাংবাদিকদের বলেন, “অগ্রগতি হয়েছে, উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে, যদিও এখনো চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়নি।”
তিনি আরও বলেন, “আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিশ্ব হয়তো ভালো কোনো খবর পেতে পারে।”
রুবিও জানান, সম্ভাব্য চুক্তিতে হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের উদ্বেগের সমাধান অন্তর্ভুক্ত থাকবে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে তেহরান কার্যত এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে চলাচল সীমিত করে রেখেছে।
সম্ভাব্য চুক্তির আওতায় বিশ্ব আর ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকবে না বলেও দাবি করেন তিনি।
ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম জানিয়েছে, সম্ভাব্য সমঝোতা স্মারকের অধীনে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ৩০ দিনের মধ্যে যুদ্ধপূর্ব অবস্থায় ফিরতে পারে।
তাসনিমের প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ পুরোপুরি তুলে নিতে হবে এবং প্রথম ধাপেই ইরানের জব্দকৃত অর্থের একটি অংশ ছেড়ে দিতে হবে।
এছাড়া সম্ভাব্য চুক্তিতে লেবাননসহ সব ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
আল জাজিরার প্রতিবেদক আলি হাশেম বলেন, প্রথম ৩০ দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল সহজ করা হবে এবং একই সময়ে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা চলবে।
ওয়াশিংটন থেকে আল জাজিরার কিম্বারলি হালকেট জানান, যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের মধ্যে যুদ্ধের অজনপ্রিয়তা এবং ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কমে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে প্রেসিডেন্ট চাইছেন, এই চুক্তিকে নিজের কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে তুলে ধরতে।
















