ইরানের মানচিত্রের ওপর মার্কিন পতাকা বসানো একটি ছবি সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট। ছবির সঙ্গে লেখা ছিল, ‘মধ্যপ্রাচ্যের যুক্তরাষ্ট্র?’
চলমান কূটনৈতিক আলোচনার মধ্যেই এই পোস্ট ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এমন বার্তা আঞ্চলিক পরিস্থিতিকে আরও সংবেদনশীল করে তুলতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অতীত সামরিক হস্তক্ষেপের ইতিহাস থাকায় এই ধরনের প্রতীকী বার্তা অনেক দেশের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করতে পারে। একই সঙ্গে এটি ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান আলোচনার পরিবেশেও প্রভাব ফেলতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি দীর্ঘস্থায়ী করার লক্ষ্যে আলোচনা চলছে। দুই পক্ষই সাম্প্রতিক সময়ে অগ্রগতির ইঙ্গিত দিয়েছে। তবে পারমাণবিক কর্মসূচি, সমুদ্রপথ নিয়ন্ত্রণ এবং আঞ্চলিক প্রভাব নিয়ে এখনো বড় ধরনের মতপার্থক্য রয়ে গেছে।
একজন বিশ্লেষক বলেছেন, এমন মন্তব্য কূটনৈতিক প্রক্রিয়াকে দুর্বল করতে পারে এবং ইরানের জনগণকে আরও ঐক্যবদ্ধ করে তুলতে পারে। তার মতে, আলোচনার সূক্ষ্ম মুহূর্তে এই ধরনের আচরণ যুক্তরাষ্ট্রের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিয়ে সন্দেহ তৈরি করছে।
এদিকে মার্কিন প্রশাসন দাবি করে আসছে, তারা দীর্ঘমেয়াদি দখল বা সরকার পরিবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে না। তবে সামাজিক মাধ্যমে প্রেসিডেন্টের বিভিন্ন পোস্ট নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিতে বৈশ্বিক প্রভাব বিস্তারের বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। একই দিনে প্রেসিডেন্ট উত্তর আটলান্টিক অঞ্চলের একটি দ্বীপ নিয়েও আরেকটি প্রতীকী ছবি প্রকাশ করেন।
















