যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া নতুন শান্তি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। তবে তেহরান বলছে, দুই পক্ষের মধ্যে এখনো “গভীর ও গুরুত্বপূর্ণ” মতপার্থক্য রয়ে গেছে এবং আলোচনার ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত।
পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির শুক্রবার তেহরান সফরে গিয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন। ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বৈঠকে উত্তেজনা কমানো এবং কূটনৈতিক সমাধানের সর্বশেষ উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের এই সফর আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির ইঙ্গিত দিলেও এখনো কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা হয়নি।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, সফরটিকে কোনো “টার্নিং পয়েন্ট” হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। কারণ এখনো বড় ধরনের মতবিরোধ বিদ্যমান।
একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেন, তিনি পারিবারিক অনুষ্ঠানেও অংশ নেবেন না এবং ওয়াশিংটনেই অবস্থান করবেন। এতে ধারণা করা হচ্ছে, পরিস্থিতি অত্যন্ত সংবেদনশীল পর্যায়ে পৌঁছেছে। ট্রাম্প চলমান আলোচনাকে নতুন হামলা ও শান্তিচুক্তির “সীমারেখায়” অবস্থান করছে বলে মন্তব্য করেন।
এদিকে ইরানের কূটনৈতিক তৎপরতাও বেড়েছে। তেহরান তুরস্ক, ইরাক, কাতার, ওমান এবং জাতিসংঘের মহাসচিবের সঙ্গেও যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে।
অন্যদিকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার চীন সফরে গেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, ইরান সংকট ও চলমান মধ্যস্থতা নিয়েও সেখানে আলোচনা হবে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর শুরু হওয়া আঞ্চলিক সংঘাতের প্রভাবে এখনো পুরোপুরি খুলে দেওয়া হয়নি হরমুজ প্রণালি। এর ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও তেলের বাজারে অস্থিরতা আরও বেড়েছে।
















