ক্যামেরুন সফর শেষে রাজধানীতে পৌঁছানোর প্রস্তুতি
শান্তি, দুর্নীতি ও বৈশ্বিক সংকট নিয়ে জোরালো বার্তা
পোপ লিও চতুর্দশ আফ্রিকা সফরের তৃতীয় ধাপে অ্যাঙ্গোলায় পৌঁছাতে যাচ্ছেন। এই সফরের মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তার কথার বিরোধ তীব্র হয়েছে।
তিনি শনিবার অ্যাঙ্গোলার রাজধানীতে পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। তাকে স্বাগত জানাতে শহরজুড়ে তার ছবি সম্বলিত বিলবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। এর আগে তিনি তিন দিনের সফরে ক্যামেরুনে অবস্থান করেন।
অ্যাঙ্গোলায় এটি হবে তৃতীয় কোনো পোপের সফর। এর আগে জন পল দ্বিতীয় ১৯৯২ সালে এবং বেনেডিক্ট ষোড়শ ২০০৯ সালে দেশটি সফর করেন। দেশটির প্রায় ৪৪ শতাংশ মানুষ ক্যাথলিক ধর্মাবলম্বী।
সফরের সময় পোপ লিও দেশটির প্রেসিডেন্ট জোয়াও লরেঙ্কোর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন এবং বক্তব্য দেবেন। দীর্ঘ গৃহযুদ্ধ শেষে পুনর্গঠনের পথে থাকা অ্যাঙ্গোলায় তার শান্তির আহ্বান বিশেষ গুরুত্ব পেতে পারে।
আফ্রিকা সফরের পুরো সময়জুড়ে পোপ দুর্নীতি, প্রাকৃতিক সম্পদের অপব্যবহার এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ঝুঁকি নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন। ক্যামেরুনে তিনি নেতাদের দুর্নীতি দমনের আহ্বান জানান এবং লাভের উদ্দেশ্যে আফ্রিকার সম্পদ শোষণের সমালোচনা করেন।
এদিকে, পোপের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তার প্রকাশ্য মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। প্রেসিডেন্ট পোপকে সমালোচনা করে বিভিন্ন মন্তব্য করেছেন। এর জবাবে পোপ জানিয়েছেন, তিনি কোনো চাপকে ভয় পান না এবং যুদ্ধের বিরুদ্ধে কথা বলা অব্যাহত রাখবেন।
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ধর্মীয় বিষয়ে সীমাবদ্ধ থাকার আহ্বান জানালেও পোপ বিশ্ব পরিস্থিতি নিয়ে তার অবস্থান আরও জোরালো করেছেন। তিনি বলেন, বিশ্ব এখন কিছু শক্তিধর শাসকের কারণে বিপর্যস্ত।
অ্যাঙ্গোলায় সফরের অংশ হিসেবে তিনি উন্মুক্ত প্রার্থনা সভায় অংশ নেবেন এবং ঐতিহাসিক ধর্মীয় স্থান পরিদর্শন করবেন। এরপর তার সফরের শেষ গন্তব্য হবে নিরক্ষীয় গিনি।
















