যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, ইরানের সঙ্গে নতুন দফার আলোচনা সোমবার শুরু হবে। সম্ভাব্য একটি সমঝোতার সুযোগ তৈরি হওয়ায় ইরানের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত বড় ধরনের সামরিক হামলা স্থগিত করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।
এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় হামলার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। তবে ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের উপসাগরীয় মিত্রদের অনুরোধে তিনি সামরিক পদক্ষেপ স্থগিত রেখে কূটনীতিকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন।
ট্রাম্পের দাবি, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতার হামলা না চালানোর আহ্বান জানিয়েছে। সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানও সম্ভাব্য হামলার অনাকাঙ্ক্ষিত পরিণতি সম্পর্কে সতর্ক করেছেন।
তিনি বলেন, প্রথমে হরমুজ প্রণালি নিয়ে সমঝোতা হবে, এরপর ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি বা নিরস্ত্রীকরণ ইস্যুতেও চুক্তির চেষ্টা করা হবে। তবে আলোচনার স্থান বা অংশগ্রহণকারীদের পরিচয় প্রকাশ করেননি তিনি।
এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান এবং পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের সঙ্গে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা করেছেন। একই সময়ে তেহরান জানিয়েছে, ওমানের সঙ্গে হরমুজ প্রণালির নতুন নৌপথ নিয়ে আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
ট্রাম্পের আলোচনার ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে দাম কমেছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৪.৬ শতাংশ এবং ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ৪.৭ শতাংশ কমে যায়, যা সম্ভাব্য সামরিক উত্তেজনা কমার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন বাজার বিশ্লেষকরা।
















