বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলকে অপসারণের পেছনে ক্ষমতার অপব্যবহার ও নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগকে প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে সরকার।
সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিসিবি ভেঙে দিয়ে একটি অন্তর্বর্তী কমিটি গঠন করা হয়েছে, যার নেতৃত্বে রয়েছেন সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল। পরবর্তী নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত এই কমিটিই দায়িত্ব পালন করবে।
গত বছরের বোর্ড নির্বাচনে ভোট কারচুপি, পক্ষপাতিত্ব এবং ভোটারদের ওপর চাপ প্রয়োগের অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়, যা তাদের প্রতিবেদনে নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নয় বলে উল্লেখ করে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় নানা ধরনের অনিয়ম ঘটেছে। তদন্ত কমিটি আরও জানায়, বোর্ডের শীর্ষ কর্মকর্তারা তদন্তে সহযোগিতা করেননি।
আমিনুল ইসলাম বুলবুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তিনি একক সিদ্ধান্তে ১০ জন সাবেক ক্রিকেটারকে কাউন্সিলর হিসেবে মনোনয়ন দেন, যাতে নির্বাচনে তার পক্ষে ভোট পড়ে। এই পদক্ষেপকে স্পষ্টভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সভাপতির এমন একক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা নেই বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এই অনিয়ম নির্বাচনের ফলাফলে প্রভাব ফেলেছে বলেও মনে করছে তদন্ত কমিটি।
এছাড়া নতুন দায়িত্ব নেওয়ার আগেই তামিম ইকবাল অভিযোগ করেছিলেন যে, বোর্ড পরিচালনায় ক্ষমতার অপব্যবহার হয়েছে, যা তদন্তে সত্য বলে প্রমাণিত হয়েছে।
সরকার জানিয়েছে, দেশের ক্রিকেট প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
নতুন কমিটির অধীনে ক্রিকেট বোর্ডের কার্যক্রম পুনর্গঠন এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।
















