ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬–এ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে নাটকীয় জয়ের পর কানাডাজুড়ে উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়েছে। অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে স্টিফেন ইউস্তাকিওর (Stephen Eustaquio) গোলেই ১-০ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে সহ-আয়োজক কানাডা এবং প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে জায়গা করে নেয়।
ম্যাচ শেষে আবেগঘন বক্তব্যে কানাডার প্রধান কোচ জেসি মার্শ খেলোয়াড়দের ‘কানাডার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নায়ক’ বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, দলের সাহসী ও আক্রমণাত্মক ফুটবল দেশটির ফুটবলের ভবিষ্যতের জন্য নতুন অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দলকে অভিনন্দন জানিয়ে লেখেন, ‘কী দারুণ ম্যাচ, কী অসাধারণ দল, কী গর্বের দেশ।’ অন্টারিওর প্রিমিয়ার ডাগ ফোর্ড, বিরোধীদলীয় নেতা পিয়েরে পোয়িলিয়েভর এবং ভ্যাঙ্কুভারের মেয়র কেন সিমও ঐতিহাসিক এই সাফল্যের জন্য জাতীয় দলকে শুভেচ্ছা জানান।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেশজুড়ে উদ্যাপনের ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। দর্শকেরা লাল জার্সিতে রাস্তায় ও ফ্যান জোনে বিজয় উদ্যাপন করেন। বহু বিশ্লেষক মন্তব্য করেন, আইস হকি, বাস্কেটবল ও বেসবলের দেশে ফুটবলের এমন সাফল্য কানাডার ক্রীড়া ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল।
অলিম্পিক সাঁতারু সামার ম্যাকইনটোশ, টেনিস তারকা ফেলিক্স অগার-আলিয়াসিম, স্প্রিন্টার আন্দ্রে ডি গ্রাস এবং মহাকাশচারী ক্রিস হ্যাডফিল্ডসহ কানাডার বিভিন্ন অঙ্গনের তারকারাও জাতীয় দলকে অভিনন্দন জানান। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসাও কানাডাকে জয় উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
















