যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের সম্ভাবনা মাথায় রেখে উত্তর কোরিয়া ইরান থেকে কিছুটা দূরত্ব বজায় রাখছে বলে জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। সিউলের গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে পিয়ংইয়ং ইরানকে কোনো ধরনের অস্ত্র বা সামরিক সহায়তা দেয়নি।
দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে উত্তর কোরিয়ার পক্ষ থেকে তেহরানের প্রতি সক্রিয় সমর্থনের তেমন কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি। এমনকি অন্যান্য মিত্র দেশগুলোর তুলনায় উত্তর কোরিয়ার প্রতিক্রিয়াও ছিল সীমিত ও সতর্ক।
উত্তর কোরিয়া যদিও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার সমালোচনা করেছে, তবে ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের মৃত্যু বা রাজনৈতিক পরিবর্তন নিয়ে তেমন প্রতিক্রিয়া জানায়নি। বিশ্লেষকদের মতে, এই নীরবতা কৌশলগত এবং ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ার প্রস্তুতির অংশ হতে পারে।
এদিকে একই ব্রিফিংয়ে জানানো হয়েছে, উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন তার কন্যাকে ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের জন্য প্রস্তুত করছেন। সাম্প্রতিক সময়ে তাকে সামরিক কার্যক্রমে যুক্ত দেখানো হয়েছে, যা নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা গড়ে তোলার ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
অন্যদিকে, দক্ষিণ কোরিয়া ও উত্তর কোরিয়ার সম্পর্কেও নতুন একটি অধ্যায়ের আভাস পাওয়া গেছে। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট সাম্প্রতিক এক ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করলে উত্তর কোরিয়ার পক্ষ থেকে তা ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান বৈশ্বিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে উত্তর কোরিয়া একদিকে নিজেদের অবস্থান সংযত রাখছে, অন্যদিকে ভবিষ্যৎ কূটনৈতিক সুযোগ তৈরি করার চেষ্টা করছে।
















