Dhaka ০৪:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

পরিবার পরিকল্পনা: জন্মনিয়ন্ত্রণে পুরুষের চেয়ে নারীদের অংশগ্রহণ বেশি

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:১৯:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৪ বার দেখা হয়েছে

দেশে পরিবার পরিকল্পনা ও জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণের ক্ষেত্রে পুরুষের তুলনায় নারীদের এগিয়ে থাকার চিত্র উঠে এসেছে। জন্মনিয়ন্ত্রণের সাতটি আধুনিক পদ্ধতির মধ্যে নারীরা একাই পাঁচটি পদ্ধতি ব্যবহার করছেন, আর পুরুষের ব্যবহারের জন্য রয়েছে মাত্র দুটি পদ্ধতি—কনডম ও ভ্যাসেকটমি।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পুরুষদের মধ্যে কনডম ব্যবহারের হার মাত্র ৭ শতাংশ। অথচ ৬৩ শতাংশ নারী জন্মনিয়ন্ত্রণের নানা ধরনের পদ্ধতি নিয়মিত ব্যবহার করছেন। চিকিৎসকদের মতে, নারীদের ব্যবহারের পদ্ধতিগুলোর প্রায় প্রতিটিরই কমবেশি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে, যা তাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। বিপরীতে, পুরুষের ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত কনডমের কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই এবং এটি অত্যন্ত সহজলভ্য একটি পদ্ধতি।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা মনে করেন, পরিবার পরিকল্পনা কেবল নারীর একাই দায়িত্ব নয়; এটি একটি যৌথ দায়িত্ব, যা স্বামী ও স্ত্রীর পারস্পরিক অংশগ্রহণ ছাড়া সফল হতে পারে না।

এদিকে, বিশ্ব গর্ভনিরোধ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রমে এবার বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীর সহজলভ্যতা এবং প্রতিটি দম্পতির নিজস্ব পছন্দ ও নিরাপদ পদ্ধতি বেছে নেওয়ার অধিকারের ওপর। সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার উদ্যোগে দেশজুড়ে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি পালিত হচ্ছে।

পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, সরকারের পক্ষ থেকে যে সাতটি আধুনিক জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি প্রচার করা হয়, তার মধ্যে পাঁচটিই নারীদের জন্য নির্ধারিত—যেমন খাওয়ার বড়ি, ইনজেকশন, কপারটি আইইউডি, ইমপ্ল্যান্ট এবং টিউব লিগেশন। অন্যদিকে পুরুষের জন্য রয়েছে শুধু কনডম ও ভ্যাসেকটমি। বর্তমানে চাহিদার একটি বড় অংশ বেসরকারি ও এনজিওর মাধ্যমে সরবরাহ করা হলেও পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমে নারীদের সচেতনতা ও ব্যবহার হারই সবচেয়ে বেশি।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

পরিবার পরিকল্পনা: জন্মনিয়ন্ত্রণে পুরুষের চেয়ে নারীদের অংশগ্রহণ বেশি

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:১৯:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশে পরিবার পরিকল্পনা ও জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণের ক্ষেত্রে পুরুষের তুলনায় নারীদের এগিয়ে থাকার চিত্র উঠে এসেছে। জন্মনিয়ন্ত্রণের সাতটি আধুনিক পদ্ধতির মধ্যে নারীরা একাই পাঁচটি পদ্ধতি ব্যবহার করছেন, আর পুরুষের ব্যবহারের জন্য রয়েছে মাত্র দুটি পদ্ধতি—কনডম ও ভ্যাসেকটমি।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পুরুষদের মধ্যে কনডম ব্যবহারের হার মাত্র ৭ শতাংশ। অথচ ৬৩ শতাংশ নারী জন্মনিয়ন্ত্রণের নানা ধরনের পদ্ধতি নিয়মিত ব্যবহার করছেন। চিকিৎসকদের মতে, নারীদের ব্যবহারের পদ্ধতিগুলোর প্রায় প্রতিটিরই কমবেশি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে, যা তাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। বিপরীতে, পুরুষের ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত কনডমের কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই এবং এটি অত্যন্ত সহজলভ্য একটি পদ্ধতি।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা মনে করেন, পরিবার পরিকল্পনা কেবল নারীর একাই দায়িত্ব নয়; এটি একটি যৌথ দায়িত্ব, যা স্বামী ও স্ত্রীর পারস্পরিক অংশগ্রহণ ছাড়া সফল হতে পারে না।

এদিকে, বিশ্ব গর্ভনিরোধ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রমে এবার বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীর সহজলভ্যতা এবং প্রতিটি দম্পতির নিজস্ব পছন্দ ও নিরাপদ পদ্ধতি বেছে নেওয়ার অধিকারের ওপর। সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার উদ্যোগে দেশজুড়ে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি পালিত হচ্ছে।

পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, সরকারের পক্ষ থেকে যে সাতটি আধুনিক জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি প্রচার করা হয়, তার মধ্যে পাঁচটিই নারীদের জন্য নির্ধারিত—যেমন খাওয়ার বড়ি, ইনজেকশন, কপারটি আইইউডি, ইমপ্ল্যান্ট এবং টিউব লিগেশন। অন্যদিকে পুরুষের জন্য রয়েছে শুধু কনডম ও ভ্যাসেকটমি। বর্তমানে চাহিদার একটি বড় অংশ বেসরকারি ও এনজিওর মাধ্যমে সরবরাহ করা হলেও পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমে নারীদের সচেতনতা ও ব্যবহার হারই সবচেয়ে বেশি।