চট্টগ্রামের বাকলিয়া থানা এলাকার এক্সেস রোডে সিটি কর্পোরেশন (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের ছবিযুক্ত ব্যানার লাগানো ও সরানোকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে।
ঘটনার বিস্তারিত:
- স্থান: চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া থানা এলাকার এক্সেস রোড (মদিনা আবাসিক এলাকার সামনে/বগার বিলমুখ এলাকা)।
- সময়: সোমবার (২৭ অক্টোবর, ২০২৫) দিবাগত মধ্যরাতে (রাত ১টা বা ২টার দিকে)।
- সংঘর্ষের কারণ: চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের ছবিযুক্ত একটি ব্যানার সরানো বা ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে তর্কাতর্কি ও বিরোধের সৃষ্টি হয়।
- একটি সূত্র অনুযায়ী, মেয়রের অনুসারী একটি পক্ষ ব্যানারটি টানিয়েছিল এবং মেয়রের লোকেরা সেটি খোলার নির্দেশ দিলে অন্য পক্ষের যুবদল/ছাত্রদল কর্মীরা তা খুলতে যায়।
- অন্যান্য স্থানীয় সূত্র জানায়, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক আধিপত্য ও মাদক ব্যবসা নিয়েও বিরোধ চলছিল, যা ব্যানার সরানোর ঘটনায় তীব্র হয়ে ওঠে।
- সংঘর্ষে হতাহত:
- দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং একপর্যায়ে এলোপাতাড়ি গুলিতে মো. সাজ্জাদ (২৬/২২) নামে একজন যুবক (যুবদল/ছাত্রদল কর্মী) নিহত হন। তাঁর বুকে গুলির আঘাত ছিল।
- সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধসহ আরও কমপক্ষে ৮ থেকে ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
- নিহত যুবকের পরিচয়: নিহত মো. সাজ্জাদ বাকলিয়ার তক্তারপুল এলাকার বাসিন্দা মো. আলমের ছেলে। তিনি ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং নগর যুবদলের বিলুপ্ত কমিটির বহিষ্কৃত সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশার অনুসারী ছিলেন বলে জানা যায়।
- পুলিশের ভাষ্য: বাকলিয়া থানার ওসি (অফিসার ইনচার্জ) ইখতিয়ার উদ্দিন গোলাগুলির ঘটনায় এক যুবকের নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ব্যানার লাগানোকে কেন্দ্র করে গোলাগুলি হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে।
মূলত সিটি মেয়রের ছবিযুক্ত একটি ব্যানার সরানোকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের (মেয়রের অনুসারী এবং বহিষ্কৃত যুবদল নেতা বাদশার অনুসারীদের মধ্যে) এই সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।
















