২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে পতন ঘটে আওয়ামী লীগ সরকারের। এরপর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনামলে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক তলানিতে ঠেকে। সম্প্রতি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ক্ষমতা নিয়ে সরকারে আসে বিএনপি। মঙ্গলবার দেশটির প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
স্বাভাবিকভাবেই নবনির্বাচিত সরকারের ওপরে বাংলাদেশের মানুষের যতটা প্রত্যাশা, ঠিক ততটাই প্রত্যাশী সীমান্ত পারের পশ্চিম বাংলার মানুষের। নতুন সরকার গঠনের পর ওপার বাংলার সঙ্গে সুসম্পর্কের ক্ষেত্রে আশাবাদী পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার শান্তিনিকেতনের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালযের উপাচার্য থেকে বাংলাদেশি পড়ুয়ারা।
গতকাল আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে বিশ্বভারতীর উপাচার্য প্রবীর কুমার ঘোষ জানান, ‘সবেমাত্র দুই দিন হলো বাংলাদেশে নবনির্বাচিত সরকার এসেছে। আমরা আশাবাদী আমাদের কেন্দ্রীয় সরকারও আশাবাদী প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটবে। আর দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটলে আগামী দিনে বিশ্বভারতীতে অবস্থিত বাংলাদেশ ভবনও পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হবে।’
বিশ্বভারতীর বাংলা বিভাগের গবেষণার ছাত্রী অর্পা কুণ্ডু জানান, নতুন সরকারের কাছে আমাদের প্রত্যাশা একটা সুষ্ঠু ও সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে উঠুক। আমাদের দেশ সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাক।’ যদিও তার অভিমত আমার মনে হয় না ভারত এবং বাংলাদেশের সম্পর্ক অবনতি ঘটেছে। কারণ এখন সোশ্যাল মিডিয়ার যুগ তাই কেউ একজন হঠাৎ করে কিছু লিখে দিতে পারেন, গুজব ছড়িয়ে দিতে পারেন। কারণ আমি ছয় বছর ধরে দুই দেশের মধ্যে যাতায়াত করছি আমার কখনো সমস্যা আছে বলে মনে হয়নি।
বিশ্বভারতীর বাংলা বিভাগের গবেষণার বাংলাদেশি আরেক ছাত্রী কথা ঘোষ জানান, ‘আমরা আশাবাদী নতুন সরকার আসার ফলে দুই দেশের মধ্যে যে সমস্যাগুলো ছিল সেগুলোর নিরসন হবে। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটবে। আমরা যারা শিক্ষার্থী রয়েছি তারাও উপকৃত হব।’
















