বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রযুক্তিপণ্যের ক্রমবর্ধমান দামের কারণে ভবিষ্যতে আরও বেশি মানুষ আলাদা গেমিং কনসোল না কিনে ক্লাউডের মাধ্যমে অনলাইনে গেম খেলবেন বলে মনে করছেন অ্যামাজনের গেমিং বিভাগের প্রধান জেফ গ্যাটিস। তার মতে, ক্লাউড গেমিং প্রযুক্তির উন্নতির ফলে দূরবর্তী সার্ভার থেকে স্মার্টফোন, ট্যাবলেট বা টিভির মাধ্যমে উচ্চমানের গেম খেলা আগের তুলনায় অনেক বেশি বাস্তবসম্মত হয়ে উঠেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অ্যামাজন তাদের ক্লাউড গেমিং সেবা ‘লুনা’কে প্রাইম ভিডিও অ্যাপের সঙ্গে যুক্ত করছে, যাতে ব্যবহারকারীরা একই প্ল্যাটফর্মে সিনেমা, সিরিজ ও গেম উপভোগ করতে পারেন। গ্যাটিসের ভাষ্য, বিশ্বের প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ কোটি মানুষ গেম খেললেও তাদের অল্পসংখ্যকেরই নিজস্ব গেমিং কনসোল রয়েছে, ফলে ক্লাউড গেমিংয়ের বাজারে এখনও বড় সম্ভাবনা রয়েছে।
বিবিসির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, যদিও সনি ও মাইক্রোসফটসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে ক্লাউড গেমিং সেবা দিচ্ছে, তবু অনেক গেমার এখনও নিজস্ব কনসোল বা কম্পিউটারে গেম ইনস্টল করে খেলতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্রুতগতির ইন্টারনেট, নিয়ন্ত্রণে বিলম্ব (লেটেন্সি) এবং টেকসই ব্যবসায়িক মডেলের মতো কিছু চ্যালেঞ্জ এখনও ক্লাউড গেমিংয়ের ব্যাপক বিস্তারের পথে বাধা হয়ে আছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে গেমিং কনসোল ও হার্ডওয়্যারের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, এই মূল্যবৃদ্ধি ধীরে ধীরে আরও বেশি ব্যবহারকারীকে ক্লাউডভিত্তিক গেমিংয়ের দিকে আকৃষ্ট করতে পারে, যদিও প্রচলিত কনসোল বাজার পুরোপুরি বিলীন হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা এখনই দেখা যাচ্ছে না।
















