ইমেইলের অভিযোগ ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা’ বলছে গেটসের পক্ষ
যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশিত জেফরি এপস্টেইন–সংশ্লিষ্ট নথিতে বিল গেটসকে নিয়ে ব্যক্তিগত জীবনের নানা দাবি উঠে এসেছে; গেটসের মুখপাত্র বলছেন, এগুলো মানহানিকর ও ভিত্তিহীন।
যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ জেফরি এপস্টেইন–সংশ্লিষ্ট তদন্তের বিপুল নথি প্রকাশ করার পর মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসকে ঘিরে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। প্রকাশিত নথির কিছু খসড়া ইমেইলে গেটসের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বিভিন্ন দাবি করা হয়েছে, যেগুলোকে ‘মিথ্যা’ ও ‘অবাস্তব’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে গেটসের পক্ষ।
মার্কিন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যাঞ্চ জানান, স্বচ্ছতার স্বার্থে লাখো পাতার নথি, হাজারো ভিডিও ও বিপুলসংখ্যক ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। এর আগে ভুক্তভোগীদের পরিচয় সুরক্ষার কারণে নথির একটি অংশ আটকে রাখা হয়েছিল।
ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়, নতুন প্রকাশিত নথির মধ্যে কিছু খসড়া ইমেইল রয়েছে, যেগুলো এপস্টেইন লিখেছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। সেসব ইমেইলে দাবি করা হয়, গেটস কথিত ‘রুশ’ নারীদের সঙ্গে সম্পর্কের পর যৌনরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন এবং তা তৎকালীন স্ত্রী মেলিন্ডা ফ্রেঞ্চ গেটসের কাছে গোপন রাখার চেষ্টা করেছিলেন।
আরেকটি খসড়া ইমেইলে অভিযোগ করা হয়, নিজের ভাবমূর্তি রক্ষায় গেটস নাকি মেলিন্ডাকে অজান্তে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়ার বিষয়ে সহায়তা চেয়েছিলেন। এসব দাবির পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য প্রমাণ নথিতে প্রকাশ পায়নি।
বিল গেটসের একজন মুখপাত্র এসব অভিযোগ নাকচ করে বলেন, “এই নথিগুলো এপস্টেইনের হতাশা ও অন্যকে ফাঁদে ফেলা বা মানহানি করার প্রবণতারই প্রতিফলন। দাবিগুলো সম্পূর্ণ অবাস্তব ও মিথ্যা।”
নথিতে ২০১৭ সালে রুশ ব্রিজ খেলোয়াড় মিলা আন্তোনোভার সঙ্গে গেটসের কথিত সম্পর্ক ফাঁসের হুমকির প্রসঙ্গও উঠে এসেছে। ধারণা করা হয়, এপস্টেইনের একটি দাতব্য তহবিলে বিনিয়োগ না করায় এ ধরনের হুমকি দেওয়া হয়েছিল।
বিল ও মেলিন্ডা গেটস ১৯৯৪ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত দাম্পত্য সম্পর্কে ছিলেন। অতীতে মেলিন্ডা ফ্রেঞ্চ গেটস বলেছেন, গেটসের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক এবং এপস্টেইনের সঙ্গে যোগাযোগ তাদের বিচ্ছেদের কারণগুলোর মধ্যে ছিল।
জেফরি এপস্টেইন অপ্রাপ্তবয়স্কদের যৌন কাজে ব্যবহারের জন্য পাচারের অভিযোগে বিচারাধীন থাকাকালে ২০১৯ সালে নিউইয়র্কের একটি কারাগারে মারা যান।
















