জকসু নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এখন টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে। ৬ জানুয়ারি সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করা কর্তৃপক্ষের জন্য এখন বড় চ্যালেঞ্জ।
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সকালে স্থগিত, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পর নতুন তারিখ ঘোষণা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের
ঢাকা
বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে স্থগিত হওয়া জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও বিভাগীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ৬ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) অনুষ্ঠিত হবে। মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক জরুরি সিন্ডিকেট সভায় এই নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম সিন্ডিকেটের এই সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, উদ্ভূত পরিস্থিতি এবং শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষাপটে নির্বাচন পিছিয়ে পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।
সকালে স্থগিত ও শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
পূর্বঘোষিত তফশিল অনুযায়ী আজ মঙ্গলবার সকালেই জকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে ভোরে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জরুরি সিন্ডিকেট সভা ডেকে নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করে। এই ঘোষণার পরপরই সাধারণ শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে জমায়েত হয়ে নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন। শিক্ষার্থীদের টানা বিক্ষোভ ও দাবির মুখে দুপুরে আবারও সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হয় এবং নতুন তারিখ চূড়ান্ত করা হয়।
উপাচার্যের বক্তব্য
উপাচার্য ড. রেজাউল করিম বলেন, “আজকের জকসু নির্বাচন পিছিয়ে আগামী ৬ জানুয়ারি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে আমরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি। কিছুক্ষণের মধ্যেই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।”
দীর্ঘ এক দশক পর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই নির্বাচনকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। নির্বাচন পেছানোর ফলে প্রার্থীরা প্রচারণার জন্য আরও কয়েক দিন সময় পাবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
















