মজুরি বোর্ড গঠনের পরেও ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা বেতনের দাবিতে গাজীপুরে শ্রমিকদের বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। চলমান আন্দোলনের জেরে আজও জেলার বিভিন্ন এলাকার দেড় শতাধিক কারখানা ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
পোশাক শ্রমিকরা সোমবার সকাল থেকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কসহ বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ ও অবরোধ সৃষ্টি করেন। প্রায় ছয় ঘণ্টার টানা প্রচেষ্টায় পুলিশ, বিজিবিসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হস্তক্ষেপে দুপুর ১টার দিকে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল থেকেই গাজীপুরের সফিপুর পল্লী বিদ্যুৎ ও চন্দ্রা এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন শ্রমিকরা। বেলা ১১টার দিকে তাদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ ও বিজিবি ধাওয়া দেয়। এ সময় আন্দোলনকারীদের ইটের আঘাতে কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন। অপরদিকে, বেলা ১২টার দিকে গাজীপুর মহানগরীর নাওজোর এলাকায় পুলিশের একাধিক গাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। দুপুর ১টার পর শ্রমিকরা মহাসড়ক থেকে সরে গেলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার আমজাদ হোসেন জানান, শ্রমিক আন্দোলনের কারণে দেড় শতাধিক কারখানা ছুটি দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে শিল্প পুলিশের পাশাপাশি জেলা ও মহানগর পুলিশ এবং বিজিবি যৌথভাবে কাজ করছে।
কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, সাধারণ শ্রমিকরা আগেই ঘরে ফিরে গেছেন। বর্তমানে যারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন, তারা প্রকৃত শ্রমিক নন। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মহাসড়কে যান চলাচল পুনরায় শুরু হয়েছে।






















