৩০০ আসনে লড়ছেন হাজারো প্রার্থী: মির্জা ফখরুল, সারজিস আলমসহ হেভিওয়েটদের মনোনয়নপত্র দাখিল, আজ থেকে শুরু হচ্ছে যাচাই-বাছাই
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারা দেশে ২ হাজার ৫৮২ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। মির্জা ফখরুল ও সারজিস আলমের মতো হেভিওয়েট প্রার্থীদের অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। আজ থেকে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শুরু করবে ইসি।
নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা
সব অনিশ্চয়তা ও শঙ্কা কাটিয়ে সারা দেশে বইছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হাওয়া। উৎসবমুখর পরিবেশে গতকাল শেষ দিনে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) বিভিন্ন দলের শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতিতে মুখর ছিল নির্বাচনি ময়দান।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তথ্য অনুযায়ী, সারা দেশের ৩০০ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য মোট ৩ হাজার ৪০৭টি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছিল। এর মধ্যে গতকাল শেষ দিনেই জমা পড়েছে ২ হাজার ৫৮২টি। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত জমা পড়া মনোনয়নপত্রের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৭৪৮টিতে। তবে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেও শেষ পর্যন্ত জমা দেননি ৮২৫ জন প্রার্থী।
মাঠে হেভিওয়েট প্রার্থীরা
গতকাল মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে হেভিওয়েট প্রার্থীদের ভিড় দেখা গেছে। ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ঢাকা-১৫ আসনে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের পক্ষে তার প্রতিনিধিরা মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।
এদিকে, পঞ্চগড়-১ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সারজিস আলম এবং ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে দলের নেতারা মনোনয়নপত্র জমা দেন। ঢাকার ১৩টি আসনে মোট ১৭৪ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার।
নির্বাচনি উত্তাপ ও উৎসব
শীতের তীব্রতা উপেক্ষা করে প্রার্থীরা সমর্থকদের নিয়ে মিছিল ও স্লোগানে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কার্যালয় এলাকা মুখরিত করে তোলেন। প্রার্থীদের কণ্ঠে ছিল সুষ্ঠু নির্বাচন ও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করার দাবি। যদিও শেষ দিনে সময় বাড়ানোর গুঞ্জন ছিল, তবে নির্বাচন কমিশন বিকাল ৫টার পর আর সময় বাড়ায়নি।
পরবর্তী ধাপ: যাচাই-বাছাই
তফসিল অনুযায়ী, আজ ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করবেন রিটার্নিং অফিসাররা। ২০ জানুয়ারি প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় এবং ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। প্রার্থীরা আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক প্রচার চালাতে পারবেন।
















