আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকা সত্ত্বেও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নিউইয়র্কে জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। একই সঙ্গে নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানির সমালোচনা করে তিনি অভিযোগ করেছেন, ইসরায়েলের সমালোচনার মাধ্যমে তিনি শহরে বিভাজন ও বিদ্বেষ ছড়িয়ে দিচ্ছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মামদানি আগে বলেছিলেন, নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রে এলে তাকে গ্রেপ্তার করা উচিত। তবে পরে তিনি স্পষ্ট করেন, নিউইয়র্ক সিটির এমন ক্ষমতা নেই। এদিকে ২০২৪ সালে গাজায় মানবতাবিরোধী অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে আইসিসি নেতানিয়াহু ও সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েলকে ঘিরে জনমতের পরিবর্তন স্পষ্ট হচ্ছে। এক জরিপে দেখা গেছে, মার্কিন ইহুদিদের মধ্যে নেতানিয়াহুর তুলনায় মামদানির প্রতি ইতিবাচক মনোভাব বেশি। অন্যদিকে আরেকটি জরিপে প্রায় ৪৬ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রে এলে তাকে গ্রেপ্তার করা উচিত।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু মামদানি ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে হামাসকে সমর্থনের অভিযোগ তুললেও এ দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেননি। মামদানি বরাবরই ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলাকে ‘ভয়াবহ যুদ্ধাপরাধ’ বলে উল্লেখ করেছেন।
















