Dhaka ০৯:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংকট নিরসনে আবারও তেহরান সফরে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৫:৪৭:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
  • ৯ বার দেখা হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার চলমান তীব্র কূটনৈতিক ও সামরিক টানাপোড়েন নিরসনে এবং মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সর্বাত্মক যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা প্রশমনে আবারও আনুষ্ঠানিক তেহরান সফরে যাচ্ছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। আঞ্চলিক সংঘাত নিয়ন্ত্রণ ও দুই দেশের মধ্যে সৃষ্ট স্থবিরতা দূর করার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে আজ মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) তাঁর ইরানে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ‘তাসনিম’-এর পরিবেশিত এবং তুর্কি বার্তা সংস্থা ‘আনাদোলু’ কর্তৃক প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের এই গুরুত্বপূর্ণ সফরের মূল লক্ষ্য হলো তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে চলমান সামরিক বৈরিতা কমিয়ে আনা এবং বৈশ্বিক অস্থিতিশীলতা রোধে কার্যকর কূটনৈতিক পথ খুঁজে বের করা। এই সফরে তিনি শীর্ষস্থানীয় ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে মিলিত হয়ে কূটনৈতিক বার্তা আদান-প্রদান করবেন।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে রক্তক্ষয়ী উত্তেজনা শুরু হওয়ার পর থেকেই ইসলামাবাদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সক্রিয় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে আসছে। এই সংকটের শুরু থেকেই পাকিস্তান উভয় পক্ষের সাথে নিবিড় কূটনৈতিক যোগাযোগ বজায় রেখেছিল। যার ফলস্বরূপ, চলতি বছরের জুনে পাকিস্তানের প্রত্যক্ষ মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটন ও তেহরান ঐতিহাসিক ‘ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক’ স্বাক্ষর করতে সক্ষম হয়েছিল, যা অত্যন্ত সংকটময় মুহূর্তেও একটি চূড়ান্ত চুক্তির পথ তৈরি করেছিল। তবে পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার নিশ্চয়তা এবং বিশ্ব বাণিজ্যের প্রধান ধমনি ‘হরমুজ প্রণালি’ দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের শর্ত নিয়ে উভয় পক্ষের মাঝে গভীর মতবিরোধ দেখা দেওয়ায় সেই শান্তি আলোচনা সাময়িকভাবে ভেস্তে যায়।

বর্তমানে বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহ ও আন্তর্জাতিক সমুদ্র বাণিজ্যের মূল কেন্দ্রবিন্দু হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার পাল্টাপাল্টি হামলা পরিস্থিতিকে এক বিপজ্জনক সংঘাতের মুখে দাঁড় করিয়েছে। কূটনৈতিক আলোচনা সম্পূর্ণ স্থবির হয়ে পড়ায় কৌশলগত এই নৌপথটি বিশ্বযুদ্ধের অন্যতম প্রধান কেন্দ্রবিন্দুতে রূপ নেওয়ার উপক্রম হয়েছে। এমন একটি চরম সংকটময় ও স্পর্শকাতর মুহূর্তে পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের এই দ্বিতীয় দফার তেহরান সফর আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং মধ্যপ্রাচ্যে সম্ভাব্য বড় ধরনের যুদ্ধ রোধ করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত নির্ণায়ক ও তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংকট নিরসনে আবারও তেহরান সফরে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৫:৪৭:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার চলমান তীব্র কূটনৈতিক ও সামরিক টানাপোড়েন নিরসনে এবং মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সর্বাত্মক যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা প্রশমনে আবারও আনুষ্ঠানিক তেহরান সফরে যাচ্ছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। আঞ্চলিক সংঘাত নিয়ন্ত্রণ ও দুই দেশের মধ্যে সৃষ্ট স্থবিরতা দূর করার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে আজ মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) তাঁর ইরানে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ‘তাসনিম’-এর পরিবেশিত এবং তুর্কি বার্তা সংস্থা ‘আনাদোলু’ কর্তৃক প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের এই গুরুত্বপূর্ণ সফরের মূল লক্ষ্য হলো তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে চলমান সামরিক বৈরিতা কমিয়ে আনা এবং বৈশ্বিক অস্থিতিশীলতা রোধে কার্যকর কূটনৈতিক পথ খুঁজে বের করা। এই সফরে তিনি শীর্ষস্থানীয় ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে মিলিত হয়ে কূটনৈতিক বার্তা আদান-প্রদান করবেন।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে রক্তক্ষয়ী উত্তেজনা শুরু হওয়ার পর থেকেই ইসলামাবাদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সক্রিয় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে আসছে। এই সংকটের শুরু থেকেই পাকিস্তান উভয় পক্ষের সাথে নিবিড় কূটনৈতিক যোগাযোগ বজায় রেখেছিল। যার ফলস্বরূপ, চলতি বছরের জুনে পাকিস্তানের প্রত্যক্ষ মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটন ও তেহরান ঐতিহাসিক ‘ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক’ স্বাক্ষর করতে সক্ষম হয়েছিল, যা অত্যন্ত সংকটময় মুহূর্তেও একটি চূড়ান্ত চুক্তির পথ তৈরি করেছিল। তবে পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার নিশ্চয়তা এবং বিশ্ব বাণিজ্যের প্রধান ধমনি ‘হরমুজ প্রণালি’ দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের শর্ত নিয়ে উভয় পক্ষের মাঝে গভীর মতবিরোধ দেখা দেওয়ায় সেই শান্তি আলোচনা সাময়িকভাবে ভেস্তে যায়।

বর্তমানে বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহ ও আন্তর্জাতিক সমুদ্র বাণিজ্যের মূল কেন্দ্রবিন্দু হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার পাল্টাপাল্টি হামলা পরিস্থিতিকে এক বিপজ্জনক সংঘাতের মুখে দাঁড় করিয়েছে। কূটনৈতিক আলোচনা সম্পূর্ণ স্থবির হয়ে পড়ায় কৌশলগত এই নৌপথটি বিশ্বযুদ্ধের অন্যতম প্রধান কেন্দ্রবিন্দুতে রূপ নেওয়ার উপক্রম হয়েছে। এমন একটি চরম সংকটময় ও স্পর্শকাতর মুহূর্তে পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের এই দ্বিতীয় দফার তেহরান সফর আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং মধ্যপ্রাচ্যে সম্ভাব্য বড় ধরনের যুদ্ধ রোধ করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত নির্ণায়ক ও তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।