জুলাই অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ভারতকে তাকে ফেরত চেয়ে আহ্বান বাংলাদেশ।
১৭ নভেম্বর ২০২৫
ঢাকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল জুলাই অভ্যুত্থানকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। সোমবার দুপুরে ঘোষিত এ ঐতিহাসিক রায়ে তার সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের ক্ষেত্রেও একই সাজা দেওয়া হয়। অপর আসামি সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল–মামুনকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে, যেহেতু তিনি রাজসাক্ষী হয়ে অপরাধের প্রমাণে সহযোগিতা করেন।
ট্রাইব্যুনাল জানিয়েছে, উসকানিমূলক বক্তব্য, মারণাস্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ, হেলিকপ্টার থেকে গুলিবর্ষণসহ চানখাঁরপুল ও আশুলিয়ার হত্যাকাণ্ডে শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ দায় প্রমাণিত হয়েছে। ৭৮ বছর বয়সী শেখ হাসিনা রায় ঘোষণার সময় পলাতক ছিলেন; অভ্যুত্থানের পর তিনি ভারতে অবস্থান করছেন এবং পলাতক হওয়ায় আপিলের সুযোগও পাচ্ছেন না।
রায় ঘোষণার পর আদালতে উপস্থিত শহীদ পরিবারের সদস্যরা উল্লাস প্রকাশ করেন। ঢাবি ক্যাম্পাসসহ বিভিন্ন স্থানে মিছিল-উল্লাস দেখা যায়। অন্যদিকে, অন্তর্বর্তী সরকার জনগণকে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়ে জানিয়েছে যেকোনো অরাজকতা কঠোরভাবে দমন করা হবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে ভারতকে শেখ হাসিনা ও কামালকে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণের জন্য আনুষ্ঠানিক আহ্বান জানিয়েছে। দুই দেশের প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী ভারত তা করতে আইনগতভাবে বাধ্য তবে নয়াদিল্লির প্রতিক্রিয়া এখনো পাওয়া যায়নি।
















