একই সঙ্গে রাষ্ট্রপ্রধান ও দলীয় প্রধানের দায়িত্ব পেয়ে সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে শক্তিশালী নেতা হিসেবে আবির্ভাব
দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের মাধ্যমে প্রভাব বাড়িয়ে এখন দেশের নীতিনির্ধারণে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের পথে
ভিয়েতনামের কমিউনিস্ট পার্টির নেতা তো লাম দেশটির প্রেসিডেন্ট ও রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন, যা এক ব্যক্তির হাতে ক্ষমতার বিরল কেন্দ্রীকরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
৫০০ সদস্যের জাতীয় পরিষদে সর্বসম্মতিক্রমে তিনি নির্বাচিত হন। জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত দলীয় কংগ্রেসের পর এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়।
এর ফলে সাম্প্রতিক দশকগুলোর মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী নেতা হিসেবে উঠে এসেছেন তো লাম। তিনি এর আগে জননিরাপত্তা মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে দুর্নীতিবিরোধী কঠোর অভিযান পরিচালনা করেন, যার মাধ্যমে অনেক প্রতিদ্বন্দ্বীকে রাজনৈতিকভাবে দুর্বল করে দেন।
২০২৪ সালে তিনি অস্থায়ীভাবে প্রেসিডেন্ট ও দলীয় মহাসচিবের দায়িত্ব নেন, পূর্ববর্তী প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ এবং দলীয় প্রধানের মৃত্যুর পর।
ভিয়েতনামে সাধারণত শীর্ষ নেতৃত্ব কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদে ভাগ করে রাখা হয়, যাতে ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় থাকে। তবে এবার তো লাম দুইটি প্রধান পদই নিজের হাতে ধরে রাখলেন, যা চীনের নেতৃত্ব কাঠামোর সঙ্গে তুলনা টানা হচ্ছে।
যদিও দলীয় কাঠামোর ভেতরে এখনো কিছু নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা রয়েছে এবং কেন্দ্রীয় কমিটি ও পলিটব্যুরোর কাছে তাকে জবাবদিহি করতে হয়।
তো লামের সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে উচ্চ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা। তিনি আগামী বছরগুলোতে ১০ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন।
এ ছাড়া দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ এবং দেশকে মধ্যম আয়ের ঊর্ধ্বে উন্নীত করার লক্ষ্যেও ব্যাপক সংস্কার কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন তিনি।
















