অস্ট্রেলিয়ার বন্ডি সমুদ্রতটে হামলার অভিযোগে অভিযুক্ত যুবকের পরিবারের পরিচয় গোপন রাখার আবেদন খারিজ করেছে আদালত।
সিডনির একটি আদালত বৃহস্পতিবার জানায়, অভিযুক্ত নাভিদ আক্রমের মা, ভাই ও বোনের নাম-পরিচয় গোপন রাখার জন্য করা আবেদন গ্রহণযোগ্য নয়।
গত ডিসেম্বরে একটি ইহুদি উৎসবে হামলার ঘটনায় ১৫ জন নিহত হন। ওই ঘটনায় নাভিদ আক্রমের বিরুদ্ধে ৫৯টি অভিযোগ আনা হয়েছে।
তার আইনজীবীরা দাবি করেছিলেন, পরিবারের সদস্যরা প্রতিশোধমূলক হামলার শিকার হতে পারেন এবং ইতোমধ্যে তারা হুমকি ও হয়রানির মুখে পড়েছেন। এ কারণে তাদের পরিচয় প্রকাশ না করার অনুরোধ জানানো হয়।
গত মাসে অস্থায়ীভাবে পরিবারের তথ্য প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল। তবে বিভিন্ন গণমাধ্যম এর বিরোধিতা করলে আদালত সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়।
বিচারক হিউ ডনেলি বলেন, এই মামলাটি দেশ-বিদেশে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট তথ্য ইতোমধ্যে অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে।
তিনি আরও বলেন, ৪০ বছরের জন্য পরিচয় গোপন রাখার আবেদন বিশেষ পরিস্থিতির মানদণ্ড পূরণ করেনি এবং এটি কার্যকরও হতো না, কারণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের ওপর এর প্রভাব পড়ত না।
আদালত উল্লেখ করে, অভিযুক্তের পরিবারের সদস্যদের নাম মামলার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়, তবে এগুলো ইতোমধ্যে জনসমক্ষে এসেছে।
শুনানিতে জানানো হয়, পরিবারের বাড়ির সামনে এসে লোকজন গালিগালাজ ও হত্যার হুমকি দিয়েছে। ফোন ও বার্তার মাধ্যমেও হুমকি পাওয়া গেছে বলে অভিযোগ করা হয়।
আদালতে দেওয়া এক বিবৃতিতে অভিযুক্তের মা বলেন, তারা সবসময় আতঙ্কে বসবাস করছেন এবং নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত।
অন্যদিকে গণমাধ্যমের পক্ষ থেকে বলা হয়, পরিবারের তথ্য ইতোমধ্যে প্রকাশিত হওয়ায় তা গোপন রাখার প্রয়োজনীয়তা নেই এবং তাদের ওপর তাৎক্ষণিক কোনো বড় ঝুঁকির প্রমাণও নেই।
আদালত শেষে আবেদন খারিজ করে দেয়।
















