মিনাবের একটি কন্যাশিশু বিদ্যালয়ে ১০৮ জনের মৃত্যু, তেহরান সংলগ্ন আরেক হামলায় প্রাণহানি
বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাতের অভিযোগে তেহরানের নিন্দা, জাতিসংঘে পদক্ষেপের আহ্বান
ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের হরমোজগান প্রদেশের মিনাব শহরে একটি প্রাথমিক কন্যাশিশু বিদ্যালয়ে ইসরায়েলের হামলায় ১০৮ জন নিহত হয়েছেন বলে দেশটির বিচার বিভাগের সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে। শাজারেহ তাইয়্যেবেহ নামের ওই বিদ্যালয়ে হামলার ঘটনায় আরও ৬৩ জন আহত হয়েছেন।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা জানায়, ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ এখনও চলছে। একই সময়ে রাজধানী তেহরানের পূর্বাঞ্চলে আরেকটি বিদ্যালয়ে পৃথক হামলায় অন্তত দুই শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে বলে মেহের সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে।
এই হামলাগুলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের অংশ, যা দেশজুড়ে বিস্তৃত হয়েছে এবং আঞ্চলিক সহিংসতা বাড়িয়ে তুলেছে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বিদ্যালয়ে হামলার একটি ছবি প্রকাশ করে বলেন, নিরপরাধ শিশুদের হত্যা করা হয়েছে এবং এ ধরনের অপরাধের জবাব দেওয়া হবে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই ঘটনাকে স্পষ্ট অপরাধ আখ্যা দিয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
তেহরান থেকে আল জাজিরার প্রতিবেদক জানান, এসব হামলা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সেই দাবিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে, যেখানে বলা হয়েছিল কেবল সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হচ্ছে। বেসামরিক হতাহতের ঘটনা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগকে জোরালো করবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। এর আগেও ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে বেসামরিক প্রাণহানি ব্যাপক ছিল বলে ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
সাম্প্রতিক হামলার ফলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে এবং বেসামরিক জনগণের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
















