পরিবেশ ও জলবায়ু রক্ষায় সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ ত্বরান্বিত করতে এই আয়োজনটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
‘সরকার একা সব প্রান্তে পৌঁছাতে পারে না’: ভাসমান হাসপাতাল ও প্লাস্টিকমুক্ত উদ্যোগকে মডেল হিসেবে ব্যবহারের তাগিদ
নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা
দেশের প্রকৃতি ও মানুষের সার্বিক কল্যাণে কাজ করা সাহসী ও দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানগুলোই বর্তমানে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেন, সরকার একা সমাজের সব প্রান্তে সেবা পৌঁছাতে পারে না, তাই এমন জনকল্যাণমুখী প্রতিষ্ঠানগুলোই সরকারের সবচেয়ে শক্তিশালী সহযোগী হিসেবে কাজ করে।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে ‘প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন’ এবং ‘চ্যানেল আই’ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সমন্বিত কাজের ওপর গুরুত্বারোপ
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, স্বাস্থ্যসেবা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং ঐতিহ্য রক্ষায় যারা মাঠ পর্যায়ে কাজ করছে, তাদের সঙ্গে সরকারি সংস্থাগুলোর নিবিড় সমন্বয় থাকা জরুরি। তিনি প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়ার এই প্রচেষ্টাকে কেবল সামাজিক কাজ নয়, বরং গভীর নাগরিক দায়িত্ববোধের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে অভিহিত করেন।
হাওর অঞ্চলে ভাসমান হাসপাতালের মডেল
পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, “হাওর এলাকার মানুষের জন্য ভাসমান হাসপাতাল একটি অত্যন্ত কার্যকর মডেল হতে পারে। সরকারের হাওর মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়নে এ ধরনের উদ্ভাবনী উদ্যোগগুলো বড় ভূমিকা রাখবে।” এ সময় তিনি প্লাস্টিকমুক্ত আয়োজন নিশ্চিত করায় আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান এবং বলেন যে, এই ধরনের ক্ষুদ্র উদ্যোগগুলোই নতুন প্রজন্মের কাছে বড় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
দায়িত্ববোধ ও সম্মান
উপদেষ্টা উল্লেখ করেন, দেশের মাটি ও মানুষের কাছ থেকে পাওয়া সম্মান মানুষের কর্মস্পৃহা ও দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দেয়। তিনি প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের পরিবেশ ও স্বাস্থ্যবিষয়ক বিভিন্ন কার্যক্রমের প্রশংসা করে বলেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টা ছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব নয়।
প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুকিত মজুমদার বাবুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ।
















