দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় প্রকৃত মানোন্নয়ন নিশ্চিত করতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে কেন্দ্রীয়ভাবে কঠোর মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষাবৃত্তি ও ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই তাগিদ দেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকদের নিয়মিত উপস্থিতি এবং তাদের পাঠদান পদ্ধতি কেন্দ্রীয়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা অত্যন্ত জরুরি। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ কলেজগুলো তাদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনার মাধ্যমেই এই মনিটরিং কার্যক্রম কার্যকর করতে পারে। বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান আরও যুগোপযোগী করতে বাজার চাহিদাভিত্তিক নতুন কোর্স চালু, আধুনিক কারিকুলাম প্রণয়ন এবং শিক্ষকদের উন্নত প্রশিক্ষণের ওপর জোর দেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে উল্লেখ করে ড. মিলন বলেন, ইতিমধ্যে শিক্ষা খাতে জিডিপির ২ শতাংশ বরাদ্দ নিশ্চিত করা হয়েছে এবং গবেষণায় পর্যাপ্ত অনুদান দেওয়া হচ্ছে। আসন্ন শিক্ষাবর্ষে চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে নতুন পাঠ্যপুস্তক যুক্ত হওয়ার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ২০২৮ সালের নতুন কারিকুলাম প্রণয়নের কাজও ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। তবে সরকারের এসব উদ্যোগের সুফল পেতে বরাদ্দকৃত অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।
অনুষ্ঠানে সাম্প্রতিক এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল পুনঃমূল্যায়ন প্রসঙ্গে অসন্তোষ প্রকাশ করে মন্ত্রী জানান, পুনঃনিরীক্ষায় ৩ হাজার ৭৯ জন নতুন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে, যা খাতা মূল্যায়নে দায়িত্বহীনতা বা ত্রুটির স্পষ্ট প্রমাণ। খাতা মূল্যায়নে অবহেলাকারী শিক্ষকদের সুনির্দিষ্ট জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে এবং তাদের পেশাদারিত্ব বাড়াতে বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানান তিনি।
Reporter Name 














