সূর্যোদয়ের সঙ্গে সামরিক মর্যাদায় শুরু মহান বিজয় দিবসের কর্মসূচি
মহান বিজয় দিবসে সূর্যোদয়ের সঙ্গে রাজধানীতে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে শহীদদের প্রতি বিশেষ গান স্যালুট প্রদর্শন করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে যথাযোগ্য সামরিক মর্যাদায় জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি বিশেষ গান স্যালুট প্রদর্শন করা হয়েছে। বিজয়ের ৫৪ বছরে পদার্পণের এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে রাষ্ট্রীয় কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা হয় এই তোপধ্বনির মাধ্যমে।
মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) ভোরে রাজধানীর পুরাতন বিমানবন্দরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি আর্টিলারি রেজিমেন্টের ছয়টি গান থেকে পর্যায়ক্রমে এই ৩১ বার তোপধ্বনি দেওয়া হয়। মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মত্যাগকারী শহীদদের স্মরণে এটি সশস্ত্র বাহিনীর সর্বোচ্চ সামরিক অভিবাদন হিসেবে বিবেচিত।
সামরিক সূত্র জানায়, এই গান স্যালুটের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতার জন্য জীবন উৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জনে যাঁরা আত্মোৎসর্গ করেছেন, তাঁদের সম্মানে প্রতিবছর বিজয় দিবসে এই ঐতিহ্যবাহী সামরিক রীতি পালন করা হয়।
তোপধ্বনি শেষে জাতীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন পর্ব শুরু হয়। প্রথমে রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে এবং পরে প্রধান উপদেষ্টার পক্ষ থেকে স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এরপর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন ও সর্বস্তরের মানুষ শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে দেশজুড়ে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে নানা কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত এই বিজয় বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় গৌরবের দিন হিসেবে চিরস্মরণীয় হয়ে আছে।
















