বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনতে এবং বর্তমান প্রজন্মের উপযোগী করে গড়ে তুলতে একটি নতুন শিক্ষা কমিশন গঠন ও সময়োপযোগী শিক্ষানীতি প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। ১৯৭৪ সালের কুদরাত-এ-খুদা শিক্ষা কমিশন ও ২০১০ সালের জাতীয় শিক্ষানীতির বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করে বিশ্লেষকরা বলছেন, পুরোনো ধ্যান-ধারণা দিয়ে বর্তমান যুগের চাহিদা পূরণ সম্ভব নয়।
বিগত বছরগুলোতে পাঠ্যপুস্তকে একতরফা রাজনৈতিক মতাদর্শ অন্তর্ভুক্ত করা, বারবার পরীক্ষা পদ্ধতির পরিবর্তন, প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং শিক্ষা প্রশাসনের অব্যবস্থাপনায় শিক্ষা খাত ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সম্প্রতি পাঠ্যবইয়ে কিছু সংশোধন আনা হলেও তা সামগ্রিক মানোন্নয়নের জন্য পর্যাপ্ত নয়।
জাপান, ফিনল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর বা যুক্তরাষ্ট্রের মতো উন্নত দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে মডেল হিসেবে রেখে নতুন শিক্ষানীতি প্রণয়নের তাগিদ দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের সাথে তাল মেলাতে নতুন প্রজন্মের মতামত নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
শিক্ষাবিদদের মতে, শিক্ষা প্রশাসনে স্বচ্ছতা আনা এবং আমূল পরিবর্তনের মাধ্যমে একটি গবেষণামুখী ও মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করাই এখন সময়ের প্রধান দাবি।


























