ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় গণভোটের ব্যালট হবে গোলাপি; তত্ত্বাবধায়ক সরকারসহ ৩০টি সংবিধান সংস্কারের বিষয়ে সম্মতি চাওয়া হবে
নির্বাচন কমিশন জানাল, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে। ভোট গণনার সুবিধার জন্য গণভোটের ব্যালট হবে গোলাপি রঙের, তবে উভয় ব্যালট একই স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ফেলতে হবে।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটের ব্যালট একটি সাধারণ স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) জারি করা ইসির এক পরিপত্রে এই দ্বৈত ভোটগ্রহণের সার্বিক দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
পরিপত্র অনুযায়ী, একই দিনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই ভোটে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যালট সাদা রঙের হলেও গণনার সুবিধার জন্য গণভোটের ব্যালট গোলাপি রঙের করা হয়েছে। ভোটাররা ভোটদান শেষে উভয় ব্যালট একই বাক্সে জমা দেবেন।
আগামী ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের ১২ তারিখে একই দিনে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ চলবে বলে ১১ ডিসেম্বর জারি করা গণবিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করা হয়।
ইসি এই পরিপত্র জারির মাধ্যমে গণভোটের প্রশ্ন নির্ধারণ, কর্মকর্তা নিয়োগ, ভোটদান পদ্ধতি ও সময়সূচিসহ সকল সার্বিক দিকনির্দেশনা দিয়েছে। গণভোটের মূল প্রশ্নে ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ এবং এতে অন্তর্ভুক্ত মোট ৩০টি সংবিধান সংস্কারসংক্রান্ত প্রস্তাবের প্রতি ভোটারদের সম্মতি চাওয়া হবে। সংস্কার প্রস্তাবগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন, দুই কক্ষবিশিষ্ট সংসদ গঠন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ এবং প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ নির্ধারণ।
ইসি আরও জানিয়েছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ সকল ভোটগ্রহণ কর্মকর্তারাই একই ভোটকেন্দ্র ও একই ভোটার তালিকা ব্যবহার করে গণভোট পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবেন। ভোটগ্রহণ শেষে ব্যালট বাক্স খোলা হলে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ব্যালট আলাদাভাবে গণনা করা হবে। পোস্টাল ভোটের ক্ষেত্রেও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নিয়ম মেনেই ভোট প্রদান করা যাবে।
















