গুলিবিদ্ধ হওয়ার দুই দিন পরেও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় সোমবার দুপুরে ঢাকা ছাড়লেন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র; এভারকেয়ার হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (ICU) চলছিল চিকিৎসা
গুলিবিদ্ধ শরিফ ওসমান হাদিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুরে উন্নত চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়েছে। ব্রেন স্টেমে আঘাতের কারণে তার রক্তচাপ ওঠানামা করছিল; হামলাকারী গ্রেপ্তার না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি ইনকিলাব মঞ্চের।
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র এবং ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে ঢাকা থেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সকাল ১১টা ২০ মিনিটে বিশেষ বিমানটি ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, দুপুর দেড়টার দিকে তাকে নিয়ে সিঙ্গাপুরের দিকে রওনা হওয়ার কথা ছিল।
গত শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে বিজয়নগরের পানির ট্যাংকির সামনে চলন্ত রিকশায় থাকার সময় মোটরসাইকেলে আসা দুই দুর্বৃত্তের গুলিতে গুরুতর আহত হন হাদি। প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে অস্ত্রোপচার হওয়ার পর রাতেই তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।
দু’দিন পেরিয়ে গেলেও তার স্বাস্থ্যের পরিস্থিতিতে কোনো উন্নতি না হওয়ায় তিনি এখনো আশঙ্কাজনক অবস্থায় এভারকেয়ার হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
গতকাল রোববার চিকিৎসকরা জানান, ব্রেন স্টেমে আঘাত এবং মস্তিষ্ক অতিরিক্ত ফোলার কারণে তার রক্তচাপ ও হৃদস্পন্দন স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশি ওঠানামা করছে। যদিও আজ নতুন করে কোনো শারীরিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি, তবে তাকে সিঙ্গাপুর নেওয়ার আগ পর্যন্ত রক্তচাপ ও হৃদযন্ত্রের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় মেডিক্যাল সাপোর্ট চলমান ছিল।
এর আগে রোববার সন্ধ্যায় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছিলেন যে, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেস উইংয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরদিন দুপুরে হাদিকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হবে।
আব্দুল্লাহ আল জাবের আরও বলেন, আজকের (সোমবারের) মধ্যে হামলাকারীকে গ্রেপ্তার করা না হলে স্বরাষ্ট্র ও আইন উপদেষ্টার পদত্যাগের দাবি তোলা হবে। একই দিন বিকেলে জাতীয় শহীদ মিনারে সর্বদলীয় প্রতিরোধ সমাবেশেরও ঘোষণা দেওয়া হয়।
















