Dhaka ০২:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

হালাল সনদ ও খাদ্যনিরাপত্তার সমন্বিত প্রয়োজনীয়তা

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১২:০৭:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৮ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশে হালাল খাবারের ধারণাটি মূলত পশু জবাইয়ের নিয়ম এবং শূকরের মাংস বা অ্যালকোহলমুক্ত থাকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখা হয়। অথচ দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে খাদ্যের সামগ্রিক নিরাপত্তা ও মান নিয়ন্ত্রণ অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ক্ষতিকর রাসায়নিক, বিষাক্ত সিসা, ক্ষতিকর রঙ এবং খাদ্যে ভেজালের কারণে জনস্বাস্থ্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ছে।

ইসলাম ধর্মে কেবল খাবার ‘হালাল’ বা বৈধ হওয়াই যথেষ্ট নয়, বরং তা ‘তাইয়্যিব’ বা পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও কল্যাণকর হওয়াও আবশ্যিক শর্ত। পবিত্র কোরআনে বৈধ ও কল্যাণকর খাবারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। অতএব, খাবারে ক্ষতিকর বিষাক্ত উপাদান বা ভেজাল বিদ্যমান থাকলে তা পূর্ণাঙ্গ অর্থে হালাল হিসেবে গণ্য হতে পারে না।

বর্তমানে ইসলামিক ফাউন্ডেশন এবং বিএসটিআই বাংলাদেশে হালাল সনদ প্রদানের কাজ পরিচালনা করছে। একইসঙ্গে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ) খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করে যাচ্ছে। তবে এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সুনির্দিষ্ট সমন্বয় এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ল্যাবরেটরির ঘাটতি রয়ে গেছে। যা কাটিয়ে উঠতে একটি একীভূত ও বিশ্বস্ত জাতীয় হালাল নিশ্চয়তা কাঠামো গড়ে তোলা দরকার।

একটি কার্যকর হালাল সনদান ব্যবস্থার জন্য শুধু ধর্মীয় বিধান যাচাই নয়, বরং আধুনিক বিজ্ঞানাগারে ক্ষতিকর ভারী ধাতু, রাসায়নিক ও কীটনাশকের উপস্থিতিও পরীক্ষা করা প্রয়োজন। এর মাধ্যমে উৎপাদক থেকে ভোক্তা পর্যন্ত খাদ্যের মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে এবং দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের গ্রহণযোগ্যতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।

জনপ্রিয়

বিভাজনের রাজনীতি নয়, ঐক্য ও বাস্তবসম্মত সমাধান চায় মার্কিন জনগণ: বারাক ওবামা

হালাল সনদ ও খাদ্যনিরাপত্তার সমন্বিত প্রয়োজনীয়তা

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১২:০৭:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশে হালাল খাবারের ধারণাটি মূলত পশু জবাইয়ের নিয়ম এবং শূকরের মাংস বা অ্যালকোহলমুক্ত থাকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখা হয়। অথচ দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে খাদ্যের সামগ্রিক নিরাপত্তা ও মান নিয়ন্ত্রণ অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ক্ষতিকর রাসায়নিক, বিষাক্ত সিসা, ক্ষতিকর রঙ এবং খাদ্যে ভেজালের কারণে জনস্বাস্থ্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ছে।

ইসলাম ধর্মে কেবল খাবার ‘হালাল’ বা বৈধ হওয়াই যথেষ্ট নয়, বরং তা ‘তাইয়্যিব’ বা পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও কল্যাণকর হওয়াও আবশ্যিক শর্ত। পবিত্র কোরআনে বৈধ ও কল্যাণকর খাবারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। অতএব, খাবারে ক্ষতিকর বিষাক্ত উপাদান বা ভেজাল বিদ্যমান থাকলে তা পূর্ণাঙ্গ অর্থে হালাল হিসেবে গণ্য হতে পারে না।

বর্তমানে ইসলামিক ফাউন্ডেশন এবং বিএসটিআই বাংলাদেশে হালাল সনদ প্রদানের কাজ পরিচালনা করছে। একইসঙ্গে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ) খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করে যাচ্ছে। তবে এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সুনির্দিষ্ট সমন্বয় এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ল্যাবরেটরির ঘাটতি রয়ে গেছে। যা কাটিয়ে উঠতে একটি একীভূত ও বিশ্বস্ত জাতীয় হালাল নিশ্চয়তা কাঠামো গড়ে তোলা দরকার।

একটি কার্যকর হালাল সনদান ব্যবস্থার জন্য শুধু ধর্মীয় বিধান যাচাই নয়, বরং আধুনিক বিজ্ঞানাগারে ক্ষতিকর ভারী ধাতু, রাসায়নিক ও কীটনাশকের উপস্থিতিও পরীক্ষা করা প্রয়োজন। এর মাধ্যমে উৎপাদক থেকে ভোক্তা পর্যন্ত খাদ্যের মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে এবং দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের গ্রহণযোগ্যতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।