কমিশনের দ্রুত কাজ, তবে ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে গেজেট প্রকাশ সম্ভাবনা ক্ষীণ
অন্তর্বর্তী সরকার সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন জাতীয় বেতন কাঠামো প্রণয়নে ত্বরান্বিত হয়েছে। কমিশন দ্রুত সুপারিশ চূড়ান্ত করলেও ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন পে–স্কেল গেজেট প্রকাশের সম্ভাবনা কম বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন জাতীয় পে–স্কেল প্রণয়নে উদ্যোগ নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ছয় মাসের মধ্যে কমিশনকে সুপারিশ জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সময়সীমা আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত থাকলেও, তার আগেই সুপারিশ জমা দেওয়ার প্রচেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
এর আগে সোমবার (৫ ডিসেম্বর) শাহবাগ শহীদ মিনারে সরকারি চাকরিজীবীদের একটি মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে নেতারা ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন পে–স্কেলের গেজেট প্রকাশ এবং ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করার দাবি জানান। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গেজেট প্রকাশ না হলে ১৭ ডিসেম্বর কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়।
কমিশন জানায়, আন্দোলনের চাপ নয়, নিয়মিত প্রক্রিয়াতেই দ্রুত কাজ চলছে। তবে সুপারিশ জমা দেওয়ার নির্দিষ্ট তারিখ দিতে অপারগতা প্রকাশ করেছে তারা। কর্মচারীদের নির্ধারিত সময় অনুযায়ী কমিশনের হাতে রয়েছে মাত্র সাত কার্যদিবস, যা সুপারিশ চূড়ান্ত করতে যথেষ্ট নয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কমিশনের এক সদস্য জানিয়েছেন, চূড়ান্ত প্রতিবেদন তৈরি প্রায় শেষ পর্যায়ে। লেখালেখি এগিয়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে, এবং খুব শিগগিরই সুপারিশ জমা দেওয়া হবে।
সরকার ও কমিশন–সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, পুরো ডিসেম্বর জুড়েই সুপারিশ জমা প্রক্রিয়া চলতে পারে। এরপর সেই সুপারিশ যাচাই–বাছাই করে চূড়ান্ত পে–স্কেল প্রণয়নেও সময় লাগবে। ফলে ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে গেজেট প্রকাশের সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ।
















