চুয়াডাঙ্গার গয়েশপুর সীমান্তে উত্তেজনা, ঘটনার তদন্তে বিজিবির যোগাযোগ উদ্যোগ
চুয়াডাঙ্গার গয়েশপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক শহিদুল ইসলামের মৃত্যু এবং পরে তাঁর মরদেহ ভারতের ভেতরে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় উত্তেজনা। বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রের বরাত, ঘটনার প্রেক্ষাপট ও সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ।
চুয়াডাঙ্গার গয়েশপুর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) গুলি চালিয়ে এক বাংলাদেশি যুবককে হত্যার পর তাঁর মরদেহ ভারতের ভেতরে নিয়ে গেছে। শনিবার বিকেল পাঁচটার দিকে ৭০ নম্বর পিলারের নিকটবর্তী ভারতের অভ্যন্তরে এ ঘটনা ঘটে। নিহত শহিদুল ইসলাম গয়েশপুর গ্রামের নষ্কর মালিতার ছেলে।
মহেশপুর ৫৮ বিজিবির সহকারী পরিচালক মুন্সি ইমদাদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সীমান্তের শূন্যরেখা অতিক্রম করে ভারতীয় এলাকায় ঢোকার পর শহিদুলের পিছু নেয় বিএসএফ সদস্যরা। ধাওয়া করতে গিয়ে উভয়ের মধ্যে হাতাহাতির পরিস্থিতি তৈরি হলে বিএসএফ গুলি চালায়, এতে শহিদুল ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে তাঁর মরদেহ তুলে ভারতীয় এলাকায় নিয়ে যায় বাহিনীটি।
স্থানীয় সূত্র জানায়, শহিদুল মাদক ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে, তবে ঘটনার পূর্ণ প্রেক্ষাপট এখনও অস্পষ্ট। সীমান্ত এলাকাজুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে, আর পরিবারের সদস্যরা মরদেহ ফেরত পাওয়ার দাবি জানাচ্ছেন।
বিজিবি বলেছে, তারা বিষয়টি নিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ করেছে এবং নিয়মিত পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে মরদেহ ফেরতের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে এ ধরনের মৃত্যু নতুন নয়। মানবাধিকার সংস্থা ও কূটনৈতিক পর্যায়ে বহুবার সীমান্তে ‘মারণাত্মক শক্তি’ ব্যবহারের ঘটনা বন্ধে আহ্বান জানানো হলেও পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
















