কমনওয়েলথ মহাসচিব শার্লি বোচওয়ে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের বিচার বিভাগীয় সংস্কারকে অত্যন্ত অর্থবহ ও কার্যকর বলে প্রশংসা করেছেন। উচ্চ আদালতে নিয়োগে স্বচ্ছতা, সুপ্রিম কোর্টে পৃথক সচিবালয় এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা জোরদারে এ উদ্যোগগুলোকে তিনি আন্তর্জাতিক মানদণ্ডসম্মত বলে মন্তব্য করেন।
উচ্চ আদালতে নিয়োগে স্বচ্ছতার নতুন মানদণ্ড, পৃথক সচিবালয়ের অনুমোদনে বিচার বিভাগের কার্যকর পৃথকীকরণ আরও ত্বরান্বিত হবে বলে মন্তব্য শার্লি বোচওয়ের।
ঢাকা,২৪ নভেম্বর ২০২৫:
বাংলাদেশের বিচার বিভাগে চলমান সংস্কার কার্যক্রমকে “অত্যন্ত অর্থবহ, বাস্তবসম্মত এবং সময়োপযোগী”—এভাবেই মূল্যায়ন করেছেন কমনওয়েলথের মহাসচিব শার্লি বোচওয়ে।
রবিবার সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এই প্রশংসা করেন।
কমনওয়েলথ মহাসচিব বলেন—বিচার বিভাগের স্বচ্ছতা, দক্ষতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে প্রধান বিচারপতির নেওয়া পদক্ষেপগুলো ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক মহলেও দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
বিশেষ করে উচ্চ আদালতের বিচারপতি নিয়োগে সুপ্রিম জুডিসিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট কাউন্সিল গঠন—নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ন্যায়পরায়ণতা ও নিরপেক্ষতার নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এছাড়া সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের জন্য পৃথক সচিবালয় অনুমোদন পাওয়াকে তিনি বিচার বিভাগের কার্যকর পৃথকীকরণের একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে আখ্যা দেন। এতে আদালত তার নিজস্ব প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও দক্ষতা ও স্বাধীনতার সঙ্গে পরিচালনা করতে পারবে।
বৈঠকে কমনওয়েলথ মহাসচিব নিশ্চিত করেছেন—সংস্কারের রোডম্যাপে নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনে কমনওয়েলথ সচিবালয় বাংলাদেশকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে।
প্রধান বিচারপতি রেফাত আহমেদও জানান—আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও মৌলিক মানবাধিকার রক্ষায় বিচার বিভাগ অঙ্গীকারবদ্ধ, আর এই সফরের মধ্য দিয়ে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার দ্বার আরও বিস্তৃত হলো।
















