ঢাকায় বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনে নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) এ এন এম মুনিরুজ্জামান বলেছেন, বাংলাদেশ–ভারত প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় ভারত আইনগতভাবে শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠাতে বাধ্য। ন্যায়বিচারের স্বার্থে দিল্লির প্রতি অবিলম্বে প্রত্যর্পণের দাবি জানান তিনি।
বিআইপিএসএস–এর প্রধান বলছেন, দ্বিপক্ষীয় প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুসারে দিল্লির দেরি ‘আইন ও কূটনৈতিক শিষ্টাচারবিরোধী’; আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়কে মান্য করার আহ্বান।
২৪ নভেম্বর ২০২৫
ঢাকায় বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনের এক অধিবেশনে উঠে এলো গুরুত্বপূর্ণ বার্তা—
বিআইপিএসএস-এর সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) এ এন এম মুনিরুজ্জামান বলেছেন, ভারত প্রায় আইনি বাধ্যবাধকতা থেকেই শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠাতে বাধ্য।
তিনি জানান, দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় প্রত্যর্পণ চুক্তি স্পষ্ট—দোষী সাব্যস্ত কোনো ব্যক্তিকে আশ্রয় দিলে তা আইনগত এবং কূটনৈতিক দুই দিক থেকেই অগ্রহণযোগ্য। তার ভাষায়, “বাংলাদেশে যে আইনি প্রক্রিয়ায় রায় হয়েছে, তা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড পূরণ করেছে—প্রতিবেশী হিসেবে ভারতকে সেই প্রক্রিয়াকে সম্মান জানানো উচিত।”
তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন—
যদি বাংলাদেশ কোনো দণ্ডিত ভারতীয় নাগরিককে আশ্রয় দিত এবং দিল্লির আনুষ্ঠানিক অনুরোধের পরও ফেরত না পাঠাত—ভারত কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাত?
বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ভারতকে আহ্বান জানিয়েছে শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে অবিলম্বে হস্তান্তর করার জন্য।
গত ১৭ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই ইস্যু এখন শুধু আইনি নয়—দুই দেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কও নিভর্র করছে প্রত্যর্পণ সিদ্ধান্তের ওপর।
















