ঢাকায় শুক্রবারের ভূমিকম্পে হতাহতের ঘটনায় জাতিসংঘ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গভীর সমবেদনা ও সংহতি প্রকাশ করেছে।
জাতিসংঘে বাংলাদেশ কার্যালয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানায় যে তারা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত সকলের প্রতি সংহতি ও গভীর সমবেদনা জানিয়েছে।
ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস পৃথক এক বার্তায় ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত সকলের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে।
ঢাকা,২২ নভেম্বর ২০২৫:
ঢাকা ও আশপাশের জেলাগুলোতে শুক্রবার সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে অন্তত ১০ জনের মৃত্যু এবং দুই শতাধিক মানুষের আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। উৎপত্তিস্থল ছিল ঢাকার পাশেই—নরসিংদীর মাধবদীতে, ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে।
ঘটনার পর জাতিসংঘের ঢাকা কার্যালয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বার্তায় জানায়—তারা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত সবার প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছে। একইসঙ্গে তারা বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনে সহায়তার প্রস্তুতি রেখেছে।
যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসও পৃথক বিবৃতিতে ভূমিকম্পে নিহত ও আহতদের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করেছে। তারা মার্কিন জনগণের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর আগারগাঁও কেন্দ্র থেকে উৎপত্তিস্থল মাত্র ১৩ কিলোমিটার দূরে হওয়ায় কম্পন ছিল তুলনামূলক বেশি শক্তিশালী। ইউএসজিএস পরে নিশ্চিত করে, ভূমিকম্পের কেন্দ্র নরসিংদী শহর থেকে ১৪ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণ-পশ্চিমে, ১০ কিলোমিটার গভীরে।
আতঙ্কে ভবন থেকে নেমে আসার সময় বহু মানুষ আহত হন। নরসিংদী, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে ভবনের দেয়াল ধসে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে। জরুরি সেবা সংস্থাগুলো মাঠে নেমে ক্ষয়ক্ষতির হিসাব নিচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভূ-আগত প্লেটচ্যুতি ও সাম্প্রতিক ধারাবাহিক কম্পন বড় ভূমিকম্পের সতর্ক সংকেত দিচ্ছে, যার কেন্দ্র যদি ঢাকার আশপাশে হয়—ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা ভয়াবহ হতে পারে।
















