প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধের জাতীয় নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর করতে সামরিক বাহিনী, পুলিশ ও সব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা প্রয়োজন। ডিএসসিএসসি কমপ্লেক্সে সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি দেশের স্থিতিশীলতা ও সংস্কারের অগ্রগতি তুলে ধরেন।
ঢাকা, ২০ নভেম্বর ২০২৫ —
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সামরিক বাহিনী, পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলোর পূর্ণ সহযোগিতা চাইলেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
বুধবার মিরপুর সেনানিবাসে ডিএসসিএসসি কোর্স ২০২৫–এর সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন—
“এখন নির্বাচনের সময়। ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ভোটের তারিখ ঠিক করা হয়েছে। নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর করতে সবার সহায়তা প্রয়োজন।”
ইউনূস বলেন—অভ্যুত্থান থেকে নির্বাচনের পথে এই যাত্রা জাতির জন্য ঐতিহাসিক। মানুষ ভোটের মাধ্যমে তাদের আশা ও আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করবে।
গত বছরের রক্তক্ষয়ী ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন—
“এই অভ্যুত্থান অতীত শাসন ব্যবস্থার অবসান ঘটিয়েছে। নতুন আশা শুধু বাংলাদেশে নয়, বিশ্বব্যাপী সাড়া ফেলেছে।”
প্রধান উপদেষ্টা প্রশংসা করেন সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকার—
“সংকটময় মুহূর্তে বাহিনীগুলো জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে। একতার কারণেই দেশ দ্রুত স্থিতিশীল হতে পেরেছে।”
সংস্কার কার্যক্রম প্রসঙ্গে তিনি বলেন—
“যদি আমরা অতীতে ফিরে যেতাম, সব ত্যাগ বৃথা যেত। নতুন বাংলাদেশ নির্মাণই আমাদের লক্ষ্য।”
এ অনুষ্ঠানে ৩১১ জন কর্মকর্তা গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেন, যার মধ্যে ৫৮ জন বিদেশি কর্মকর্তা এবং ১৪ জন নারী অফিসার ছিলেন।
















