চট্টগ্রামে এপিএম টার্মিনালসের মহাবিনিয়োগ: বাংলাদেশের বন্দর খাতে নতুন যুগ
লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনালে মেয়ার্স্কের বিনিয়োগে বন্দর আধুনিকায়ন, বড় জাহাজ ভেড়ানো ও রপ্তানি লজিস্টিক উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনা
চট্টগ্রাম বন্দরে লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনালে এপিএম টার্মিনালসের বিনিয়োগ বাংলাদেশের বন্দর খাতে সবচেয়ে বড় ইউরোপীয় বিনিয়োগ—উন্মোচিত হলো নতুন সম্ভাবনা।
ঢাকা — বাংলাদেশের বন্দর খাতে সবচেয়ে বড় ইউরোপীয় বৈদেশিক বিনিয়োগ চট্টগ্রামে আনুষ্ঠানিকভাবে সূচনা হলো। ডেনমার্কভিত্তিক এপিএম টার্মিনালস লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণে বিনিয়োগ নিশ্চিত করায় সোমবার ঢাকায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন এটিকে দেশের বন্দর উন্নয়নের “নতুন মাইলফলক” হিসেবে বর্ণনা করেন।
৩০ বছরের কনসেশন চুক্তির আওতায় পুরো প্রকল্পটি বেসরকারি বিনিয়োগে নির্মাণ, অর্থায়ন ও পরিচালিত হবে—যেখানে সরকারের কোনো ঋণের দায় থাকছে না। অনুষ্ঠানে মোলার-মেয়ার্স্ক গ্রুপের চেয়ারম্যান রবার্ট মেয়ার্স্ক উগলা ও ডেনমার্কের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধির উপস্থিতি বিনিয়োগের কৌশলগত গুরুত্ব আরও তুলে ধরে।
চট্টগ্রাম বন্দরের দীর্ঘদিনের সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা কাটাতে এই টার্মিনাল “বড় জাহাজ ভেড়ানোর সক্ষমতা ও রপ্তানি লজিস্টিক উন্নয়নে বড় অগ্রগতি আনবে” বলে মন্তব্য করেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা। ডেনমার্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লার্স লকে রাসমুসেন বলেন, মেয়ার্স্ক–এপিএম টার্মিনালসের এ প্রকল্প “বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতির প্রতি গভীর আস্থার প্রমাণ।”
এপিএম টার্মিনালসের সিইও কিথ স্বেন্ডসেন জানান, এই গ্রিনফিল্ড প্রকল্প স্থানীয় শিল্প, রপ্তানিকারক এবং আমদানিকারকদের জন্য দক্ষ সাপ্লাই–চেইন তৈরি করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
















