মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর চাপ বাড়লেও, চুক্তির ধারা ব্যবহার করে প্রত্যর্পণ নাকচ করতে পারে ভারত
১৭ নভেম্বর ২০২৫
বাংলাদেশে মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে ভারত এখনো নীরব থাকলেও, রায় ঘোষণার পর চাপ বেড়েছে বহুগুণ। দুই দেশের ২০১৩ সালের প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুসারে বাংলাদেশ গত বছরই ‘নোট ভার্বাল’ পাঠিয়ে তাকে ফেরত চাইলে ভারত শুধু প্রাপ্তি স্বীকার করেছিল, কিন্তু কোনো মতামত দেয়নি।
ভারতীয় কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানায়, চুক্তির বিভিন্ন ধারা ব্যবহার করে ভারত ইচ্ছা করলে অনুরোধ দীর্ঘদিন ঝুলিয়ে রাখতে পারে। বিশেষ করে “অভিযোগগুলো ন্যায়বিচারের স্বার্থে আনা হয়নি” বা মামলা ‘রাজনৈতিক প্রকৃতির’—এমন যুক্তিতেই তারা প্রত্যর্পণ চুক্তির ফাঁকফোকর কাজে লাগাতে পারে।
তবে এখন পরিস্থিতি বদলে গেছে। শেখ হাসিনা আর শুধু অভিযুক্ত নন—তিনি বাংলাদেশের আদালতে গণহত্যা ও হত্যার দায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত। ফলে একজন দণ্ডিত পলাতককে কেন আশ্রয় দিয়ে রেখেছে ভারত—এই প্রশ্নে আন্তর্জাতিক চাপ বাড়তেই থাকবে।
বিশ্লেষকদের মতে, দিল্লি হয়তো ব্যাখ্যা দিতে বাধ্য হবে, তবে রাজনৈতিক কারণে শেখ হাসিনাকে ঢাকার হাতে তুলে দেওয়ার সম্ভাবনা এখনো ক্ষীণ। চুক্তির ধারা ব্যবহার করে ভারত আগের মতোই বলতে পারে—বিচার ন্যায়সংগত হয়নি; তাই প্রত্যর্পণ সম্ভব নয়।
















