শেখ হাসিনার ফাঁসির রায়কে ঘিরে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে সাফাই সুর ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি জোরালো হয়েছে। বিশ্লেষণে উঠে এসেছে ট্রাইব্যুনাল ও রায় প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন।
১৭ নভেম্বর ২০২৫
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড ঘোষণার পর প্রতিবেশী ভারতজুড়ে শুরু হয়েছে তীব্র মিডিয়া আলোড়ন। ভারতের শীর্ষ সংবাদমাধ্যমগুলোর বেশিরভাগই রায়কে “রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত” এবং “পক্ষপাতদুষ্ট বিচার” হিসেবে উপস্থাপন করে হাসিনার পক্ষ সমর্থনের চেষ্টা করেছে।
পশ্চিমবঙ্গের আনন্দবাজার পত্রিকা ‘নিজের তৈরি ট্রাইব্যুনালে বিচার’—শিরোনাম দিয়ে রায়ের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলে। এনডিটিভি, ইন্ডিয়া টুডে ও হিন্দুস্তান টাইমস রায়টিকে “মানবতাবিরোধী অপরাধ” হিসেবে উল্লেখ করলেও হাসিনার বক্তব্য—“এটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা”—জোড়ালোভাবে তুলে ধরেছে।
টাইমস অব ইন্ডিয়া আরও এক ধাপ এগিয়ে ট্রাইব্যুনালকে “কারচুপির মাধ্যমে গঠিত” বলে উল্লেখ করে দাবি করেছে, রায় আগেই ঠিক করা ছিল। দ্য হিন্দু, দ্য ওয়্যারসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিকমুখী ভারতীয় সংবাদমাধ্যম রায় পরবর্তী বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটকে গুরুত্ব দিয়ে বিশ্লেষণ প্রকাশ করেছে।
বাংলাদেশে রায় ঘোষণার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থায় থাকলেও ভারতের সংবাদমাধ্যমগুলোতে হাসিনার আত্মপক্ষ সমর্থনের বক্তব্যই সপ্তাহের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।
















