বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাগজ ও কার্ডবোর্ডের প্যাকেজিংয়ে ব্যবহৃত আঠা, লেবেল ও প্রলেপ পুনর্ব্যবহার প্রক্রিয়াকে জটিল করে তুলছে। এ সমস্যা সমাধানে ইউরোপের কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এমন প্রযুক্তি তৈরি করছে, যার মাধ্যমে আঠা ছাড়াই কাগজের প্যাকেট সিল করা সম্ভব হবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের নতুন প্যাকেজিং বিধিমালা অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে সব প্যাকেজিং কমপক্ষে ৭০ শতাংশ পুনর্ব্যবহারযোগ্য এবং ২০৩৮ সালের মধ্যে ৮০ শতাংশ পুনর্ব্যবহারযোগ্য হতে হবে। এ লক্ষ্য পূরণে জার্মানির কয়েকটি প্রতিষ্ঠান লেজার ও আল্ট্রাসনিক প্রযুক্তিনির্ভর নতুন সিলিং পদ্ধতি উদ্ভাবন করছে।
বিবিসির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, নতুন প্রযুক্তিগুলো এখনো বাণিজ্যিকভাবে পুরোপুরি প্রস্তুত নয়। বিদ্যমান উৎপাদন যন্ত্রপাতি পরিবর্তন, উৎপাদনের ধীরগতি এবং সব ধরনের কাগজে প্রযুক্তি প্রয়োগ করতে না পারা এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে। তবে কিছু প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে খাদ্যপণ্যের জন্য পুনর্ব্যবহারযোগ্য কাগজের প্যাকেজিংয়ের উপযোগী নতুন সমাধান বাজারে এনেছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু আঠা বাদ দিলেই পুনর্ব্যবহারের সব সমস্যা দূর হবে না। কার্যকর বর্জ্য সংগ্রহ, সঠিকভাবে বাছাই এবং পুনর্ব্যবহার অবকাঠামোর উন্নয়নও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তবুও পরিবেশবান্ধব প্যাকেজিং তৈরির পথে নতুন সিলিং প্রযুক্তিকে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
















