বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তার ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন নতুন বিদেশে তৈরি উন্নত হিউম্যানয়েড ও চার-পেয়ে রোবট আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। একই সঙ্গে ডেটা সেন্টার ও সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থায় ব্যবহৃত কিছু পাওয়ার ইনভার্টারও নিষিদ্ধ পণ্যের তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল কমিউনিকেশনস কমিশনের (এফসিসি) আশঙ্কা, বিদেশে তৈরি এসব রোবট ও যন্ত্রপাতি দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ, নজরদারি, তথ্য চুরি বা সাইবার হামলার মাধ্যমে অপব্যবহারের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তবে আগে অনুমোদিত ও বাজারে থাকা বিদ্যমান মডেলগুলোর ওপর এ নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, চীনের দূতাবাস এ সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বাণিজ্যকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার এবং ভিত্তিহীন অজুহাতে নিষেধাজ্ঞা আরোপের অভিযোগ তুলেছে। বেইজিং জানিয়েছে, নিজেদের স্বার্থ ক্ষুণ্ন হলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবোটিকস ও উচ্চপ্রযুক্তি খাতে প্রতিযোগিতা ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, এ নিষেধাজ্ঞা দুই দেশের প্রযুক্তিগত প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলকে আরও প্রভাবিত করতে পারে।
















