ফিচারধর্মী এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত রিমপ্যাক (RIMPAC) ২০২৬ মহড়ায় চালকবিহীন নৌযান, সাইবার সক্ষমতা, ত্রিমাত্রিক (৩ডি) প্রিন্টিং এবং অন্যান্য উদীয়মান সামরিক প্রযুক্তির বাস্তব প্রয়োগের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ৩৫টি মিত্র ও অংশীদার দেশের ২৫ হাজারের বেশি সেনাসদস্য, প্রায় ৪০টি যুদ্ধজাহাজ, পাঁচটি সাবমেরিন এবং ১৪০টির বেশি উড়োজাহাজ এ মহড়ায় অংশ নেয়।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মহড়ার সময় চালকবিহীন জল ও পানির নিচের যান ব্যবহার করে গোয়েন্দা নজরদারি, তথ্য সংগ্রহ এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এলাকায় অভিযান পরিচালনার সক্ষমতা পরীক্ষা করা হয়েছে। এসব প্রযুক্তি জনবলনির্ভর প্ল্যাটফর্মের সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় ও আন্তঃকার্যকারিতা জোরদারে সহায়ক হবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ফিচার প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সমুদ্রে অবস্থানরত জাহাজে প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ ও ড্রোন দ্রুত উৎপাদনের জন্য ৩ডি প্রিন্টিং প্রযুক্তিরও প্রদর্শনী হয়েছে। চালকবিহীন নৌযানের মাধ্যমে ৩ডি প্রিন্টার পরিবহন এবং প্রয়োজনীয় খুচরা যন্ত্রাংশ ঘটনাস্থলেই তৈরির সক্ষমতা সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও দ্রুততর করতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রিমপ্যাক মহড়া নতুন সামরিক প্রযুক্তিকে পরীক্ষাগার থেকে বাস্তব অভিযানে ব্যবহারের সুযোগ করে দেয়। আয়োজকদের মতে, ভবিষ্যতের নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় উদ্ভাবনী প্রযুক্তি, যৌথ প্রশিক্ষণ এবং মিত্র দেশগুলোর সমন্বিত সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের মহড়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
















