কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির ফলে বিশ্বজুড়ে চাকরির বাজারে বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু পেশায় মানুষের কাজ পুরোপুরি প্রতিস্থাপিত না হলেও অনেক ক্ষেত্রে এআই কর্মীদের কাজের ধরন বদলে দেবে এবং কিছু দায়িত্ব স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন করবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক প্রজন্মের এআই মডেলগুলো এখন আগের তুলনায় অনেক জটিল ও সময়সাপেক্ষ কাজ সম্পন্ন করতে সক্ষম। সফটওয়্যার উন্নয়ন, আর্থিক বিশ্লেষণ, প্রাথমিক আইনি গবেষণা এবং সৃজনশীল খাতের কিছু প্রাথমিক পর্যায়ের কাজ ইতোমধ্যেই এআইয়ের প্রভাবের মধ্যে পড়েছে।
স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, চ্যাটজিপিটি জনপ্রিয় হওয়ার পর ২২ থেকে ২৫ বছর বয়সী তরুণদের কর্মসংস্থানে কিছুটা প্রভাব পড়েছে। বিশেষ করে সফটওয়্যার, অর্থনীতি ও সৃজনশীল শিল্পের মতো এআই-নির্ভর খাতে এই প্রভাব তুলনামূলক বেশি লক্ষ্য করা গেছে। তবে কিছু অর্থনীতিবিদ মনে করেন, সুদের হারসহ অন্যান্য অর্থনৈতিক কারণও এ পরিবর্তনের পেছনে ভূমিকা রেখেছে।
বিশ্লেষণে আরও বলা হয়েছে, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এআই ব্যবহারের পরিমাণ দ্রুত বাড়লেও এর পরিচালন ব্যয়ও উল্লেখযোগ্য। ফলে সব ধরনের কাজে মানবশক্তির পরিবর্তে এআই ব্যবহার অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক হবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভবিষ্যতের চাকরির বাজারে টিকে থাকতে প্রযুক্তিগত দক্ষতা, সৃজনশীল চিন্তাশক্তি, সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা এবং এআইয়ের সঙ্গে কাজ করার দক্ষতা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
















