চীন তাদের নৌবাহিনীর ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেছে, যেখানে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় বাহিনীটির ক্রমবর্ধমান ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
এই উপলক্ষে পিপলস লিবারেশন আর্মি নেভি দেশের ১০টিরও বেশি শহরে নৌঘাঁটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রাখার পরিকল্পনা করেছে। এতে ৪০টিরও বেশি সক্রিয় যুদ্ধজাহাজ প্রদর্শন করা হচ্ছে, যা এ ধরনের আয়োজনের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বলে জানানো হয়েছে।
প্রদর্শিত জাহাজগুলোর মধ্যে রয়েছে গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার, ফ্রিগেট, উভচর পরিবহন জাহাজ এবং সহায়ক জাহাজ। এসব জাহাজের অনেকগুলো আন্তর্জাতিক মিশন, যেমন এডেন উপসাগরে নিরাপত্তা টহল, বিদেশ সফর ও যৌথ সামরিক মহড়ায় অংশ নিয়েছে।
১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এই নৌবাহিনী গত কয়েক দশকে একটি আধুনিক ও কৌশলগত শক্তিতে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে তাদের সক্ষমতার মধ্যে রয়েছে প্রচলিত ও পারমাণবিক উভয় ধরনের সামরিক ক্ষমতা।
গত এক দশকে চীন তিনটি বিমানবাহী রণতরী তৈরি করেছে এবং নতুন পারমাণবিক সাবমেরিন, বড় আকারের ডেস্ট্রয়ার, উভচর আক্রমণ জাহাজ ও সরবরাহ জাহাজ যুক্ত করেছে, যা তাদের সামুদ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করেছে।
চীনা কর্মকর্তারা বলেছেন, তাদের সামরিক শক্তি বিশ্ব শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে ইতিবাচক অবদান রাখছে।
















