থাইল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিহাসাক ফুয়াংকেতকেও মিয়ানমারের নতুন প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন এবং দেশটির দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় আঞ্চলিক জোটে পূর্ণ অংশগ্রহণে ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেছেন।
বৈঠকে থাই মন্ত্রী জানান, সফরের মূল লক্ষ্য ছিল শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা জোরদার করা, সীমান্ত সহযোগিতা বাড়ানো এবং আঞ্চলিক সম্পৃক্ততা পুনরুজ্জীবিত করা।
তিনি মিয়ানমারকে আসিয়ানের উদ্বেগগুলো গুরুত্বসহকারে সমাধানের আহ্বান জানান এবং ধাপে ধাপে সম্পৃক্ততার মাধ্যমে সংগঠনে পূর্ণ প্রত্যাবর্তনে থাইল্যান্ডের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।
সাম্প্রতিক সময়ে মিয়ানমারে কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তিকে ক্ষমা করার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন থাই মন্ত্রী। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে জাতীয় পুনর্মিলন প্রক্রিয়া এগিয়ে যাবে।
গত সপ্তাহে মিয়ানমার সরকার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দিদের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে রূপান্তর করে। প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইং দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই প্রথম এমন সিদ্ধান্ত।
যাদের সাজা কমানো হয়েছে, তাদের মধ্যে সাবেক প্রেসিডেন্ট অং সান সু চি রয়েছেন। তিনি বিভিন্ন মামলায় দণ্ডিত হয়ে দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ড ভোগ করছেন।
থাই পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, মিয়ানমারের ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের জন্য আসিয়ান ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মানবিক সহায়তা বাড়ানোর উপায় খুঁজছে ব্যাংকক।
এছাড়া সীমান্তে উত্তেজনা কমাতে সংযম প্রদর্শন এবং পূর্ণ যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানান তিনি। সম্প্রতি মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর বিমান ভুলবশত থাই ভূখণ্ডে বোমা ফেলায় দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়।
পর্যবেক্ষকদের মতে, এই কূটনৈতিক উদ্যোগ সফল হলে মিয়ানমারের আঞ্চলিক রাজনীতিতে পুনরায় সক্রিয় অংশগ্রহণের পথ সুগম হতে পারে।
















