শিল্পমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরো জোরদার করার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, হালকা প্রকৌশল এবং পর্যটন-সম্পর্কিত শিল্প খাতে যৌথ উদ্যোগ নেয়া যেতে পারে
শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত থিথিপর্ন চিরাসাওয়াদি। আজ শিল্প মন্ত্রণালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
এতে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় বিশেষ করে শিল্প খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা বৃদ্ধি, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, কৃষি ও মৎস্যখাতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে থাই প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) উন্নয়নের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন।
শিল্পমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরো জোরদার করার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, হালকা প্রকৌশল এবং পর্যটন-সম্পর্কিত শিল্প খাতে যৌথ উদ্যোগ নেয়া যেতে পারে।
তিনি আরো উল্লেখ করেন, সরকারের শিল্পবান্ধব নীতিমালা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের ফলে বাংলাদেশে বিদেশী বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে এবং থাই বিনিয়োগকারীদের এ সুযোগ কাজে লাগানোর জন্য আহ্বান জানান।
থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে বলেন,”বাংলাদেশের দ্রুত অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য অত্যন্ত আকর্ষণীয়। আমরা দুদেশের শিল্প ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরো বিস্তৃত করতে আগ্রহী।
সাক্ষাতের শেষে উভয় পক্ষ ভবিষ্যতে যৌথ উদ্যোগ, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল বিনিময় এবং নিয়মিত সংলাপ অব্যাহত রাখার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
















