Dhaka ০৫:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

৬০ কোটি টাকার অবৈধ লেনদেন: নঈম নিজাম ও ফরিদা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:৩৮:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২২ বার দেখা হয়েছে

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং অর্থ পাচারের (মানিলন্ডারিং) অভিযোগে বাংলাদেশ প্রতিদিনের সাবেক সম্পাদক নঈম নিজাম এবং দৈনিক ইত্তেফাকের সাবেক সাব এডিটর, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ফরিদা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তাদের সাথে সম্পৃক্ত বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে প্রায় ৬০ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়ার পর এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

বুধবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদক প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কমিশনের সচিব মো. সাইদুর রহমান খান এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন। দুদকের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন অনুযায়ী, নঈম নিজামের কাছে ২ কোটি ৮ লাখ টাকার অধিক জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ পাওয়া গেছে এবং তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ১৯টি ব্যাংক হিসাবে প্রায় ৩৯ কোটি ৪০ লাখ টাকা অবৈধ লেনদেনের তথ্য মিলেছে।

অন্যদিকে, ফরিদা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে ২ কোটি ৭৪ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। পাশাপাশি তার নামে পরিচালিত ১৭টি ব্যাংক হিসাবে ২১ কোটি ৯ লাখ টাকার বেশি সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত এই অর্থ গোপন বা আড়াল করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর ও রূপান্তর করা হয়েছিল।

নঈম নিজামের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া ফরিদা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধেও একই আইনের পাশাপাশি দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগে দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত অভিযুক্তদের এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ দিয়েছিলেন। উল্লেখ্য, বিগত সরকার পতনের পর থেকে তারা দুজনই দেশ ছেড়ে বিদেশে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

৬০ কোটি টাকার অবৈধ লেনদেন: নঈম নিজাম ও ফরিদা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:৩৮:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং অর্থ পাচারের (মানিলন্ডারিং) অভিযোগে বাংলাদেশ প্রতিদিনের সাবেক সম্পাদক নঈম নিজাম এবং দৈনিক ইত্তেফাকের সাবেক সাব এডিটর, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ফরিদা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তাদের সাথে সম্পৃক্ত বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে প্রায় ৬০ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়ার পর এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

বুধবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদক প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কমিশনের সচিব মো. সাইদুর রহমান খান এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন। দুদকের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন অনুযায়ী, নঈম নিজামের কাছে ২ কোটি ৮ লাখ টাকার অধিক জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ পাওয়া গেছে এবং তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ১৯টি ব্যাংক হিসাবে প্রায় ৩৯ কোটি ৪০ লাখ টাকা অবৈধ লেনদেনের তথ্য মিলেছে।

অন্যদিকে, ফরিদা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে ২ কোটি ৭৪ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। পাশাপাশি তার নামে পরিচালিত ১৭টি ব্যাংক হিসাবে ২১ কোটি ৯ লাখ টাকার বেশি সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত এই অর্থ গোপন বা আড়াল করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর ও রূপান্তর করা হয়েছিল।

নঈম নিজামের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া ফরিদা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধেও একই আইনের পাশাপাশি দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগে দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত অভিযুক্তদের এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ দিয়েছিলেন। উল্লেখ্য, বিগত সরকার পতনের পর থেকে তারা দুজনই দেশ ছেড়ে বিদেশে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।