রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার ছক; সিআইডির তদন্তে নতুন মোড়
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ফয়সাল রুবেল আহমেদ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। দুই দফায় ৯ দিনের রিমান্ড শেষে শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রুবেলকে ঢাকার মহানগর হাকিম মাহবুবুর রহমানের আদালতে হাজির করা হলে তিনি স্বেচ্ছায় নিজের দোষ স্বীকার করেন। মামলাটি বর্তমানে সিআইডি পুলিশ তদন্ত করছে।
১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর এই প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২১ জানুয়ারি কেরানীগঞ্জের আটি নয়াবাজার এলাকা থেকে রুবেলকে গ্রেপ্তার করা হয়। জুলাই অভ্যুত্থানের পরিচিত মুখ হাদি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। গত ১২ ডিসেম্বর বিজয়নগরে নির্বাচনি প্রচারের সময় মোটরসাইকেল আরোহী আততায়ীর গুলিতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। ডিবির তদন্তে উঠে এসেছে যে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এবং আসন্ন নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করে ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করতেই ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগীরা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।
মামলাটির তদন্ত নিয়ে ডিবির দেওয়া অভিযোগপত্রে বাদীপক্ষ অসন্তোষ প্রকাশ করে নারাজি দাখিল করলে আদালত তা সিআইডিকে পুনঃতদন্তের নির্দেশ দেয়। ডিবির পূর্ববর্তী অভিযোগপত্রে সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পিসহ ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদসহ ৫ জন এখনো পলাতক রয়েছেন। সিআইডি তদন্তভার নেওয়ার পর রুবেলের এই জবানবন্দি হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য এবং এর নেপথ্যের কুশীলবদের শনাক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
















