গতকাল শনিবার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজ কমপ্লেক্সে আগুন লাগে। এই অংশেই আমদানি করা পণ্য রাখা হয়েছিল। জানা গেছে, প্রায় ১৮ টনের মতো এই সরঞ্জামগুলো রাশিয়া থেকে এসেছিল এবং আজ (রোববার) খালাস হওয়ার কথা ছিল। তবে পরমাণু শক্তি কমিশন থেকে এনওসি (অনাপত্তিপত্র) পেতে দেরি হওয়ায় সেগুলো নির্ধারিত সময়ে খালাস করা সম্ভব হয়নি।
ফায়ার সার্ভিস এবং অন্যান্য বাহিনীর দীর্ঘ সাত ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও, ততক্ষণে রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের মূল্যবান সরঞ্জামগুলো পুড়ে নষ্ট হয়ে যায়।
বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম সংক্রান্ত মূল বিষয়গুলো নিম্নরূপ:
- সরবরাহকারী দেশ: সরঞ্জামগুলি রাশিয়া থেকে আনা হয়েছিল।
- আমদানিকৃত পণ্যের পরিমাণ: মোট সাতটি শিপমেন্টের মাধ্যমে প্রায় ১৮ টনের মতো বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম এসেছিল।
- দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান: বিমানবন্দরে আমদানি পণ্য খালাসের (সিঅ্যান্ডএফ) কাজটি করছিল মমতা ট্রেডিং কোম্পানি।
- সাম্প্রতিক তথ্য: মমতা ট্রেডিংয়ের কাস্টমস সরকার বিপ্লব হোসাইন নিশ্চিত করেছেন যে এই সরঞ্জামগুলি ছয় দিন আগে দেশে এসেছিল।
এই ১৮ টনের বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ফলে পুড়ে গেছে।
বিপ্লব হোসাইনের মন্তব্য অনুযায়ী, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সরঞ্জামগুলো আগুনে পুড়ে যাওয়ার প্রধান কারণ হলো খালাসে বিলম্ব।
বিলম্বের কারণগুলো হলো:
- এনওসির প্রয়োজনীয়তা: এসব পণ্য খালাসের জন্য পরমাণু শক্তি কমিশন থেকে এনওসি (অনাপত্তিপত্র) নেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল।
- বিলম্ব: সেই এনওসি পেতে দেরি হওয়ায় গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত পণ্যগুলো খালাস করা সম্ভব হয়নি।
- অগ্নিকাণ্ড: আজ (রোববার) পণ্যগুলি খালাস হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু তার আগেই অগ্নিকাণ্ডে সব পণ্য পুড়ে যায়।
অর্থাৎ, প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক অনুমোদনের অভাবে খালাস না হওয়াতেই পণ্যগুলি কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডের শিকার হয়।
















