আবাসস্থল ধ্বংস, জলবায়ু পরিবর্তন ও মানবসৃষ্ট চাপ—এই তিনের সম্মিলিত প্রভাবে ২০২৬ সালে তুষার চিতা ও সামুদ্রিক কচ্ছপ বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে। সংরক্ষণবাদীদের মতে, এ বছর নেওয়া সমন্বিত আন্তর্জাতিক পদক্ষেপই নির্ধারণ করতে পারে তাদের ভবিষ্যৎ।
তুষার চিতা: পাহাড়ে সংকুচিত জীবন

- সংখ্যা: আনুমানিক ৪,০০০–৬,৫০০ (১২টি দেশে বিস্তৃত)।
- হুমকি: শিকার প্রাণী কমে যাওয়া, তুষার আচ্ছাদন হ্রাস, গবাদিপশুতে আক্রমণের জেরে প্রতিশোধমূলক হত্যা।
- করণীয়: স্থানীয় সম্প্রদায়ের সঙ্গে সহাবস্থান মডেল, গবাদিপশু সুরক্ষা, প্রণোদনাভিত্তিক ক্ষতিপূরণ।
সামুদ্রিক কচ্ছপ: সমুদ্রে বহুস্তর চাপ

- অবস্থা: ৭ প্রজাতির মধ্যে ৬টিই হুমকিগ্রস্ত/বিপন্ন।
- হুমকি: মাছ ধরার জালে আটকে মৃত্যু (bycatch), প্লাস্টিক দূষণ, উপকূল উন্নয়নে বাসা ধ্বংস, কৃত্রিম আলোতে দিকভ্রান্তি।
- জলবায়ু প্রভাব: উষ্ণ বালিতে ডিমে লিঙ্গ অনুপাত বিকৃতি—স্ত্রী বেশি জন্মে জনসংখ্যাগত ভারসাম্য নষ্ট।
অর্থায়ন ও নীতি চ্যালেঞ্জ
- সংরক্ষণ তহবিল প্রয়োজনের তুলনায় কম।
- সুরক্ষিত এলাকা সম্প্রসারণ, করিডোর রক্ষা ও আইন প্রয়োগ জোরদার জরুরি।
- গবেষণা, পর্যবেক্ষণ ও জনসচেতনতা কর্মসূচিতে টেকসই সহায়তা দরকার।
প্রমাণভিত্তিক সংরক্ষণ, স্থানীয় অংশীদারিত্ব ও রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি একসঙ্গে এলে পুনরুদ্ধার সম্ভব—২০২৬ সালই সেই টার্নিং পয়েন্ট হতে পারে।
















